তিনবিঘায় বিএসএফের বাড়তি নজরদারি, উদ্বিগ্ন দহগ্রামবাসী

আপলোড সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০১:০২:০২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৬:৪১:০০ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে পাটগ্রাম উপজেলার ইউনিয়ন দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা। প্রায় ২২ হাজার মানুষের বসবাস সেখানে। চারদিকে ভারতের ভূখণ্ড দ্বারা বেষ্টিত এই ইউনিয়নে প্রবেশ করতে হয় বহুল আলোচিত তিনবিঘা করিডর দিয়ে। কিন্তু সম্প্রতি দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসীদের যাতায়াতের একমাত্র পথ তিনবিঘা করিডোর দিয়ে চলাচলে ভারতীয় বিএসএফের হয়রানি ও কড়াকড়ি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
 
২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাতায়াতের সুবিধার্থে এটি বাংলাদেশকে ইজারার মাধ্যমে দেয় ভারত। এই সরু রাস্তা দিয়ে দুই দেশের নাগরিকেরা চলাচল করে।

এছাড়াও রাস্তার মাঝখানে দ্বায়িত্ব পালন করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি সদস্যরা।

১৯৭৪-এর মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তরকৃত এ তিনবিঘা করিডোরের আয়তন হওয়ার কথা ছিল দৈঘ্যে ১৭৮ মিটার এবং প্রস্থে ৮৫ মিটার। অথচ সাবেক ছিটমহলবাসী ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে মাত্র ৯ ফিট একটি সরু রাস্তা। ফলে সীমাহীন দুর্ভোগসহ নানা সমস্যার মধ্যে দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে প্রায় ২২ হাজার দহগ্রামবাসীকে।


এ ছাড়াও বিএসএফ চেকপোস্ট, সিসি ক্যামেরা, ট্রাফিক পোস্ট, অবজারভেশন টাওয়ার ইত্যাদির সমন্বয়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতাবাসীকে যাতায়াত করতে হয় তিনবিঘা করিডোরের ওপর দিয়ে। বর্তমান ৯ ফুটের রাস্তায় চার ও ছয় চাকার গাড়ি প্রবেশ করলে সব ধরনের যান বাহনকে অপেক্ষা করতে হয় পানবাড়ী বা দহগ্রাম পোস্টে। গাড়ি ক্রস করার পর অপেক্ষমাণ যানবাহন যাওয়া-আসা শুরু করে।

করিডরের দুই ধারে লাইটপোস্ট ও ফুলের টব লাগানোর ফলে করিডরটি ৯-১০ ফুটে পরিণত হয়েছে । এতে অনেক সময় গাড়ির বাম্পার কিংবা পরিবহনকৃত মালামালের ধাক্কায় ভারতীয় স্থাপনার কোনো ক্ষতি হলে বাংলাদেশিদের নানারকম হয়রানিসহ গুনতে হয় জরিমানা। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পর থেকে তিনবিঘা করিডোর এলাকায় বাড়তি নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিএসএফ। তবে বিজিবির পক্ষ থেকেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হচ্ছে।

১৯৭৪ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তির সব শর্তকে ভারত বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এখনো তাদের দখলে রেখেছে তিনবিঘা করিডর। এর ফলে উভয় দেশেই তাদের ছিটমহলে যথাক্রমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ও দক্ষিণ বেরুবাড়ীর যাতায়াত সুবিধা তৈরি হয়।




সূত্র : আমার দেশ

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]