নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চালানো সহিংসতা ও আগ্রাসনকে ‘জাতিগত নিধন অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন। ইতিহাসে ‘নাকবা’ (বিপর্যয়) হিসেবে পরিচিত ওই ঘটনায় প্রায় সাত লাখ ফিলিস্তিনিকে বাস্তুচ্যুত করে ইসরাইল।
শুক্রবার নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ওই ঘটনার প্রভাব চিহ্নিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বৈধ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি বিশ্ববাসীকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং প্রলম্বিত ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসানে নিজ ভূখণ্ডে ফেরার অধিকার ফিলিস্তিনিদের রয়েছে।
শুক্রবার নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ওই ঘটনার প্রভাব চিহ্নিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বৈধ ও অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি বিশ্ববাসীকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জেরুসালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন এবং প্রলম্বিত ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসানে নিজ ভূখণ্ডে ফেরার অধিকার ফিলিস্তিনিদের রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গাজায় আগ্রাসন ও পশ্চিম তীরে সহিংসতার মাধ্যমে নাকবা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি দখলদাররা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত শুধু মৌখিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এ ধরনের অপরাধ থেকে ফিলিস্তিনি জনগণকে রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।
এদিকে, ন্যায়বিচারের দাবি ও নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তনের প্রত্যয়ে শুক্রবার নাকবা দিবস পালন করেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন শুরুর পর এটি তৃতীয় নাকবা দিবস। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় গণহত্যামূলক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। গত বছরের ১০ অক্টোবর কাগজ-কলমে যুদ্ধবিরতি হলেও নিয়মিতভাবে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়ে আসছে ইসরাইল।