ফের জনপ্রিয় হচ্ছে প্রাচীন কাশ্মীরি রূপের রহস্য

আপলোড সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ১২:২৩:০১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ১২:২৩:০১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
কোরিয়ান গ্লাস-স্কিন ট্রেন্ড এবং ভাইরাল বিউটি সিরাম জনপ্রিয় হওয়ার অনেক আগে থেকেই, ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্য চর্চার রীতি প্রচলিত ছিল ভারতের কাশ্মীরি পরিবারগুলোতে।

প্রাকৃতিক কাশ্মীরি সৌন্দর্য চর্চা

কাশ্মীরিদের এই সৌন্দর্য চর্চা ছিল তাদের নিজস্ব, যা আয়ুর্বেদিক জ্ঞানসহ প্রাকৃতিক উপাদানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। আজও ভারতের অনেক মানুষ এই প্রাচীন কাশ্মীরি সৌন্দর্য রহস্যের চর্চা করছেন, যা ফের জনপ্রিয় হচ্ছে।

সোনালী উজ্জ্বল ত্বকের জন্য কাশ্মীরি জাফরান

কাশ্মীরি জাফরানকে ভারতে বরাবরই অন্যতম বিলাসবহুল সৌন্দর্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কাশ্মীরি নারীরা ঐতিহ্যগতভাবে দুধ বা গোলাপ জলে জাফরান ভিজিয়ে রাখতেন এবং ত্বকের নিষ্প্রভতা দূর করতে ও রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে এটি ব্যবহার করতেন। বর্তমানে এর প্রদাহ বিরোধী গুণের কারণে এটি ফেস মাস্ক, সিরাম, ফেস অয়েল এবং আয়ুর্বেদিক স্কিনকেয়ার পণ্যগুলোতে দেখা যায়।

কাহওয়া

কাশ্মীরি কাহওয়া হলো একটি সুগন্ধি চা যা জাফরান, সবুজ চা, বাদাম, দারুচিনি এবং এলাচ দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি হজম ও সার্বিক সুস্থতার জন্য খুব উপকারী এবং এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণের কারণে একে এখন সৌন্দর্য পানীয় বলা হচ্ছে। অনেক আধুনিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন, এটি ত্বকের আর্দ্রতা বৃদ্ধি এবং হজমশক্তি বাড়াতে উন্নত করার মাধ্যমে ত্বককে আরো সুন্দর করে তুলতে সরাসরি সাহায্য করে।

ত্বকে বাদাম তেল

বাদাম রোগান বা আমন্ড তেল যুগ যুগ ধরে কাশ্মীরি সৌন্দর্যের একটি অংশ। কাশ্মীরি নারীরা ঐতিহ্যগতভাবে শীতকালে শুষ্কতা রোধ করতে এবং ত্বককে নরম রাখতে বাদাম তেল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করেন। এর কোল্ড-প্রেসড সংস্করণটি এখন জনপ্রিয় হচ্ছে, কারণ মানুষ অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী তেল থেকে সরে এসে মুখের ম্যাসাজ, চোখের নিচের আর্দ্রতা এবং অবশ্যই চুলের পুষ্টির জন্য এটি বেছে নিচ্ছে।

আখরোটের স্ক্রাব

কাশ্মীর তার মনোরম দৃশ্য এবং আখরোটের খোসার জন্য জনপ্রিয়, যা ঐতিহ্যগতভাবে সৌন্দর্য চর্চায় এক্সফোলিয়েটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই ঘরে তৈরি স্ক্রাবগুলো কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক ছাড়াই ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে এবং সামগ্রিক গঠন উন্নত করতে সাহায্য করে। আধুনিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডগুলো এখন বডি স্ক্রাব এবং ফেস ক্লিনজারেও আখরোটভিত্তিক এক্সফোলিয়েশন ব্যবহার করছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]