বরিশাল প্রতিনিধি:
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বরিশালের রুপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় নির্ধারিত বিষয়ের পরিবর্তে ভিন্ন প্রশ্নপত্র বা ভুল সেট সরবরাহ করা হলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এতে পরীক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে পড়ে বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে কেন্দ্র সচিব মর্জিনা আক্তার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় অভিভাবকরা বলেন, “একটি ভুলের কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”
সচেতন মহল মনে করছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর তদারকি ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বরিশালের রুপাতলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় নির্ধারিত বিষয়ের পরিবর্তে ভিন্ন প্রশ্নপত্র বা ভুল সেট সরবরাহ করা হলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এতে পরীক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে পড়ে বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, একটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের চিহ্নিতকরণ এবং কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে কেন্দ্র সচিব মর্জিনা আক্তার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় অভিভাবকরা বলেন, “একটি ভুলের কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”
সচেতন মহল মনে করছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় আরও কঠোর তদারকি ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।