৫ টুকরো করে ব্যবসায়ীকে হত্যা, রায় ঘোষণা ফের পেছাল

আপলোড সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৫:৫৮:২৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৩-০৫-২০২৬ ০৫:৫৮:২৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক রহিবুল ইসলামের আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। তবে বিচারক ব্যস্ত থাকায় রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে নতুন ওই দিন ধার্য করেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জুম্মন এ তথ্য জানান।

এ মামলার আসামিরা হলেন- অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, তার স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু। আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক।

এর আগে, গত ৪ মার্চ মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। ওইদিন বিচারক রায়ের তারিখ পিছিয়ে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করেন। পরে ১৩ মে রায়ের দিন নির্ধারণ থাকলেও রায় ঘোষণা হয়নি।

মামলায় অভিযোগ, ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী পিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে একাধিক মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ‘শত্রুতা’ ছিল। মতিউর রহমান ও মরিয়মের ‘পরিকল্পনায় ও নির্দেশনায়’ ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পিংকু মালিকান্দার চকে যাওয়ার পথে আসামিরা এলাকার ধনিয়া ক্ষেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করে। ওই ঘটনার পরদিন পিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২২ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচারকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]