নিজস্ব প্রতিবেদক
আশুলিয়া থানার চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোঃ ফারুক
হোসেন (৪৪)&#৩৯;কে গ্রেফতার করেছে র্যাব
“বাংলাদেশ আমার অহংকার”- এই স্লোগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন
(র্যাব) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূল ও মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি
বিভিন্ন সময়ে চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সুনাম অর্জন
করতে সক্ষম হয়েছে|
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৪ এবং র্যাব-৬ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ১২ মে
২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন গাংলা মোড় এলাকায় অভিযান
পরিচালনা করে ঢাকা জেলাধীন আশুলিয়া থানার চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান
আসামি মোঃ ফারুক হোসেন (৪৪)&#৩৯;কে গ্রেফতার করে|
মামলার এজাহার এবং গ্রেফতারক...ত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ জানা
যায় যে, ভিকটিম আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত|
ভিকটিমের ¯^ামী গাজীপুরে একটি গার্মেন্টস কোম্পানীতে চাকুরী করার সুবাদে
বেশীরভাগ সময় গাজীপুরে থাকায় ভিকটিম বাসায় একা থাকতেন| আসামি মোঃ ফারুক
হোসেন দীর্ঘ দিন যাবত বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল| গত ১৪
এপ্রিল ২০২৪ তারিখ ভিকটিম তার ভাড়া বাসায় অব¯’ানকালে আসামি মোঃ ফারুক
হোসেন অতর্কিতভাবে ভিকটিমের রুমে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে এবং কু-প্রস্তাব দেয়|
উক্ত প্রস্তাবে ভিকটিম রাজি না হওয়ায় তার ই”ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে|
ভিকটিম মানসম্মানের ভয়ে বিষয়টি গোপন রাখলে আসামি মোঃ ফারুক হোসেন
প্রতিনিয়ত কু-প্রস্তাব দিয়েই আসছিল| পরবর্তীতে উক্ত ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী
হয়ে আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন|
উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক
মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়| মামলার
পরপরই র্যাবের যৌথ আভিযানিক দল উক্ত ধর্ষণকান্ডে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায়
আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে| পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সূত্রের ভিত্তিতে
আসামির অব¯’ান সনাক্তের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়|
গ্রেফতারক...ত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যব¯’া গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায়
প্রেরণ করা হয়েছে|