নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেনীর দাগনভূঞায় ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যা করা মোশারফ হোসেন রাফি (২২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
সোমবার (১১ মে) বিকালে দেওয়া জবানবন্দিতে রাফি বলেন, পরিবারের ভালোবাসা ও স্বাভাবিক আচরণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই সে তার মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দাগনভূঞা থানার এসআই মো. মোতালেব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জবানবন্দিতে রাফি দাবি করেন, সে সিগারেট ছাড়া অন্য কোনো মাদকদ্রব্য সেবন করতেন না। তবে, পরিবারের সদস্যরা সবসময় তাকে মাদকাসক্ত ও বখাটে বলে অবজ্ঞা করতেন। এতে সে মানসিকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
রাফির ভাষ্যমতে, মা লাকি বেগম তার সঙ্গে আপন সন্তানের মতো আচরণ করতেন না। ঘটনার দিন রাতে কথা বলতে গেলে তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে প্রথমে মাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।
একপর্যায়ে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে খাটের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেন সে। এ সময় বোন মিথিলা মোস্তফা সাহারা (১৮) দেখে ফেললে তাকেও ছুরিকাঘাত শুরু করেন। এরপর বাবা মোস্তফা ভূঞা (৫০) এসে পড়লে তাকেও ছুরিকাঘাতে আহত করে সে।
জবানবন্দিতে রাফি আরো জানান, এর আগে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানোর পরিকল্পনা থেকে সে অনলাইনে দু'টি ছুরি অর্ডার করেছিলেন। শনিবার ছুরিগুলো হাতে পাওয়ার পর রোববার রাতে ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন গিয়ে এ হতাহতের কান্ড ঘটিয়ে পেলেন।
এ ঘটনায় রাফিকে একমাত্র আসামি করে তার ফুফু শরীফা বেগম বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় হত্যা মামলা করেন । পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দু'টি রক্তমাখা ছুরি আলামত হিসেবে জব্দ করেছেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার রাফি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকালে দেওয়া জবানবন্দিতে রাফি বলেন, পরিবারের ভালোবাসা ও স্বাভাবিক আচরণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই সে তার মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দাগনভূঞা থানার এসআই মো. মোতালেব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জবানবন্দিতে রাফি দাবি করেন, সে সিগারেট ছাড়া অন্য কোনো মাদকদ্রব্য সেবন করতেন না। তবে, পরিবারের সদস্যরা সবসময় তাকে মাদকাসক্ত ও বখাটে বলে অবজ্ঞা করতেন। এতে সে মানসিকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।
রাফির ভাষ্যমতে, মা লাকি বেগম তার সঙ্গে আপন সন্তানের মতো আচরণ করতেন না। ঘটনার দিন রাতে কথা বলতে গেলে তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সে প্রথমে মাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।
একপর্যায়ে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে খাটের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেন সে। এ সময় বোন মিথিলা মোস্তফা সাহারা (১৮) দেখে ফেললে তাকেও ছুরিকাঘাত শুরু করেন। এরপর বাবা মোস্তফা ভূঞা (৫০) এসে পড়লে তাকেও ছুরিকাঘাতে আহত করে সে।
জবানবন্দিতে রাফি আরো জানান, এর আগে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানোর পরিকল্পনা থেকে সে অনলাইনে দু'টি ছুরি অর্ডার করেছিলেন। শনিবার ছুরিগুলো হাতে পাওয়ার পর রোববার রাতে ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন গিয়ে এ হতাহতের কান্ড ঘটিয়ে পেলেন।
এ ঘটনায় রাফিকে একমাত্র আসামি করে তার ফুফু শরীফা বেগম বাদী হয়ে দাগনভূঞা থানায় হত্যা মামলা করেন । পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দু'টি রক্তমাখা ছুরি আলামত হিসেবে জব্দ করেছেন।
দাগনভূঞা থানার ওসি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার রাফি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।