নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরপাড়া এলাকায় অধ্যাপক আবু তাহের সিকদারের বসত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আবু তাহের সিকদারের ছোটো ছেলে কামরুল আহসান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির সামনের গ্রিলের শব্দ হলে রুমের দরজা খুলে সিঁড়ির কাছে যাই। এ সময় সিড়ির নিচে অস্ত্র হাতে মুখোশ পরা ৫-৬ জন ব্যক্তিকে দেখতে পাই। তারা এসে অস্ত্রের মুখে আমার হাত, পা ও মুখমন্ডল বেঁধে ফেলে। বাড়ির ভেতরে লোকজনের শব্দ শুনে মা ও স্ত্রী রুমের দরজা খুলে বের হতেই ৪-৫ জন ডাকাত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এ সময় তাদেরকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আলমিরা খুলে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি অ্যান্ডয়েট মোবাইল সহ অন্তত ১৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
কামরুল আহসান আরো বলেন, সকাল ৬টার দিকে বিষয়টি ৯৯৯ এ জানালে সকাল ৮টার একদল পুলিশ আমার বাড়িতে আসে। এ সময় তারা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের ডাকাতির ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে দুপুর ১২টার দিকে আমাকে থানায় যাওয়ার জন্য বলে পুলিশ সদস্যরা বাাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।
চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত পূর্বক পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আবু তাহের সিকদারের ছোটো ছেলে কামরুল আহসান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির সামনের গ্রিলের শব্দ হলে রুমের দরজা খুলে সিঁড়ির কাছে যাই। এ সময় সিড়ির নিচে অস্ত্র হাতে মুখোশ পরা ৫-৬ জন ব্যক্তিকে দেখতে পাই। তারা এসে অস্ত্রের মুখে আমার হাত, পা ও মুখমন্ডল বেঁধে ফেলে। বাড়ির ভেতরে লোকজনের শব্দ শুনে মা ও স্ত্রী রুমের দরজা খুলে বের হতেই ৪-৫ জন ডাকাত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এ সময় তাদেরকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আলমিরা খুলে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও একটি অ্যান্ডয়েট মোবাইল সহ অন্তত ১৮ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
কামরুল আহসান আরো বলেন, সকাল ৬টার দিকে বিষয়টি ৯৯৯ এ জানালে সকাল ৮টার একদল পুলিশ আমার বাড়িতে আসে। এ সময় তারা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের ডাকাতির ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে দুপুর ১২টার দিকে আমাকে থানায় যাওয়ার জন্য বলে পুলিশ সদস্যরা বাাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।
চকরিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত পূর্বক পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।