নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে মিলল মুনতাহা তসলিমা (৮) নামের নিখোঁজ শিশুর লাশ।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব নাইক্ষংদিয়া গ্রামে এ লাশের সন্ধান মিলে।
নিহত মুনতাহা উক্ত এলাকার সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা খাতুন দম্পতির কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১২টার পর থেকে শিশু কন্যা মুনতাহার সন্ধান পাচ্ছিল না পরিবারের সদস্যরা। খোঁজাখুঁজি এক পর্যায়ে প্রতিবেশী এলাকার মৃত অছিয়র রহমানের ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী নুরুল আলমের নির্মাণাধীন বসতঘরের অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতর নিখোঁজ শিশু কন্যার নিথর দেহের সন্ধান মেলে। স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ধারণা নিহত শিশু কন্যা খেলারছলে ঢাকনা-বিহীন অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরে সংবাদ পেয়ে রাতে ঈদগাঁও থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল তৈরি পূর্বক নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লাশ দাফন করা হয় জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা এসআই মুজিবুর রহমান।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব নাইক্ষংদিয়া গ্রামে এ লাশের সন্ধান মিলে।
নিহত মুনতাহা উক্ত এলাকার সিরাজুল ইসলাম ও মোস্তফা খাতুন দম্পতির কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১২টার পর থেকে শিশু কন্যা মুনতাহার সন্ধান পাচ্ছিল না পরিবারের সদস্যরা। খোঁজাখুঁজি এক পর্যায়ে প্রতিবেশী এলাকার মৃত অছিয়র রহমানের ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী নুরুল আলমের নির্মাণাধীন বসতঘরের অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতর নিখোঁজ শিশু কন্যার নিথর দেহের সন্ধান মেলে। স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ধারণা নিহত শিশু কন্যা খেলারছলে ঢাকনা-বিহীন অরক্ষিত সেপটিক ট্যাংকে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরে সংবাদ পেয়ে রাতে ঈদগাঁও থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল তৈরি পূর্বক নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একই দিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে লাশ দাফন করা হয় জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা এসআই মুজিবুর রহমান।