​সান্তাহারে ছাত্র হত্যাচেষ্টায় অভিযোগ দায়েরে নাম থাকলেও মামলা থেকে বাদ সভাপতির নাম

আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৭:০৬:৫৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৭:০৬:৫৭ অপরাহ্ন


আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি-

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে কলেজছাত্র সুলতান মাহমুদ মিজানকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলাকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মূল লিখিত অভিযোগে ৬ নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে মানিকের নাম উল্লেখ থাকলেও রহস্যজনকভাবে পরবর্তীতে মামলার এজাহার থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই বলছেন, গোপনে সুবিধা ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই অভিযুক্ত মানিককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলার বাদী ও থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত ও মামলা পরিচালনায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়নি, যা জনমনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে মানিকসহ ১৪ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পরে আপডেট এজাহার দাখিলের বিষয়টি নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। এ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে নারাজ বাদী।


অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজছাত্র সুলতান মাহমুদ মিজানকে পরিকল্পিতভাবে মুঠোফোনে ডেকে নেওয়া হয় সান্তাহার কালিমন্দির এলাকায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কালিমন্দিরের সামনে দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে মিজানকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরিকাঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ওই রাতেই আহত মিজানের বাবা বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে জোবায়ের, জয়, বাপ্পী, বিপ্লব, লিয়ন ও মানিকসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে থানায় এ ঘটনায় হত্যাচেষ্টার মামলা রেকর্ড করা হয়। তবে মামলাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 অভিযোগ উঠেছে, মূল লিখিত অভিযোগে ৬ নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে মানিকের নাম থাকলেও পরবর্তীতে মামলার এজাহার থেকে রহস্যজনকভাবে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলেই ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে যাকে বাদ দেওয়া হয়েছে তিনি সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। অনেকেই বলছেন গোপন সুবিধা ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবের কারণেই তার নাম মামলা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বাদী ও থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন এলাকাবাসী।


আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, ঘটনার পর বাদী প্রথমে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পরবর্তীতে সেই অভিযোগ বাদী আপডেট করে এজাহার দাখিল করেন। এ প্রেক্ষিতে মামলা রুজু করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]