ধামরাইয়ে জমির আইলে মরিচ চাষে সফলতা

আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৩:৩৪:২৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০৩:৩৪:২৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ধান ক্ষেতের জমির আইল সাধারণত অব্যবহৃত পড়ে থাকে। সেই জমির আইলকে কাজে লাগিয়ে 'পার্টনার' প্রকল্পের আওতায় মরিচ চাষ করে সুফল পাচ্ছেন কৃষক আলী আজম। এ যেন বাড়তি আয়ের নতুন পথ। উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় জমির আইলে মরিচ চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের শোলধন এলাকায় 'পার্টনার' প্রকল্পের আওতায় মরিচ চাষ করেছেন কৃষক আলী আজম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের শোলধন এলাকায় কৃষক আলী আজম তার দুই একর বোরো ধানের জমির আইলে মরিচ চাষ করেন। ফলনও খুব ভালো হয়। অব্যবহৃত জমির আইলে মরিচ চাষ করে নতুন দিগন্তের পথ বের হয়েছে। এতে করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাচ্ছেন কৃষক। তার এই উদ্যোগ দেখে আলী আজমের মতো মরিচ চাষ আগ্রহী হয়ে উঠছেন এলাকার আরও অনেকেই ।

উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় আলী আজম এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানা যায় ।

ধানের পাশাপাশি ধানের জমির আইলে মরিচ চাষের ফলে জমির ফাঁকা জায়গাওর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ছে অতিরিক্ত আয়। মরিচ গাছে ফলনও এসেছে প্রচুর।

মৌসুম শেষে আরও প্রায় ২৫ হাজার টাকার মরিচ বিক্রির আশা করছেন তিনি। এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকেই।

কৃষক আলী আজম বলেন, আমার বাড়ির পাশে দু্ই একর ধানের জমি রয়েছে। জমির আইল আগে খালি থাকত। উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের পরামর্শে ওই জমির আইলে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের মাধ্যমে মরিচ চাষ শুরু করি। ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। ৩-৪ হাজার টাকার মরিচ বিক্রিও করেছি। মরিচের মৌসুম শেষ হতে প্রায় ২০/২৫ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারব।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুমন মিয়া বলেন, আমি কৃষক আলী আজমকে প্রণোদনা হিসেবে মরিচের বীজ দেই। তিনি দুই একর ধানের জমির আইলে মরিচ চাষ শুরু করেন। আলী আজম এখন প্রায় ৪ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করে। এছাড়া নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে আরো প্রায় ২০/৩০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারবেন। এটি পার্টনার পদ্ধতিতে চাষ করা হয়েছে। জমির আইল এখন থেকে আর অব্যবহৃত থাকবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আরিফুর রহমান বলেন, পার্টনার প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ধানের জমির আইলে মরিচসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করলে কৃষকরা অতিরিক্ত আয় করতে পারেন। পরিবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এতে একদিকে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় অপরদিকে কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতিও ঘটে। যে কোনো কৃষক বা বেকার যুবকরা এমন কাজে আগ্রহী হতে পারে। আমরা কৃষি অফিস থেকে সব রকম সাপোর্ট দেব।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]