নিজস্ব প্রতিবেদক
লালমনিরহাটে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার ০১ জন আসামিকে রংপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
লালমনিরহাটে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার ০১ জন আসামিকে রংপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
'বাংলাদেশ আমার অহংকার'- এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন চাঞ্চল্যকর হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, রাহাজানিসহ মারাত্মক সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে র্যাব অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
মামলার বাদী এবং ভিকটিম এর দায়েরকৃত এজাহার থেকে জানা যায় যে, আসামিদের বাড়ি ভিকটিমের বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং মামলার প্রধান আসামি বেলাল ভিকটিমের পূর্বপরিচিত। ভিকটিমের কিছু টাকার প্রয়োজন হওয়ায় আসামি বেলালের কাছে ৫০০০/- টাকা ধার চায়। আসামি বেলাল টাকা ধার দিতে রাজি হয় এবং ১৯/০৪/২০২৬ তারিখে ভিকটিমকে তার বাড়িতে টাকা নেওয়ার জন্য যেতে বলে। ওইদিন সন্ধ্যা ০৭.০০ টার দিকে ভিকটিম টাকা নেওয়ার জন্য আসামি বেলালের বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা করেন। পথিমধ্যে হাতীবান্ধঅ থানার পারুলিয়া গ্রামের হাছেন আলীর ভুট্টাক্ষেতের নিকটে আসামিদের সাথে ভিকটিমের দেখা হয়।
ভিকটিম তখন আসামি বেলালের কাছে টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে সকল আসামিরা ভিকটিমকে জোর করে ভুট্টাক্ষেতের মধ্যে টেনে নিয়ে যেতে চায়। ভিকটিম তখন চিৎকার শুরু করলে আসামিরা ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে এবং জোর করে ভুট্টাক্ষেতের মধ্যে নিয়ে যায়। ধৃত আসামি রাকিবুল ভিকটিমের মুখ চেপে ধরলে আসামি বেলাল প্রথমে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপরে, ধৃত আসামি রাকিবুল এবং অপর আসামি ছাইয়াকুল পালাক্রমে ভিকটিমকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আসামিরা ভিকটিমকে ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে, ভিকটিমের পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চিকিৎসা শেষে গত ২২/০৪/২০২৬ তারিখে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(৩) ধারায় জোরপূর্বক গণধর্ষণ করার মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-২৭।
ভিকটিম তখন আসামি বেলালের কাছে টাকা চাইলে টাকা না দিয়ে সকল আসামিরা ভিকটিমকে জোর করে ভুট্টাক্ষেতের মধ্যে টেনে নিয়ে যেতে চায়। ভিকটিম তখন চিৎকার শুরু করলে আসামিরা ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে এবং জোর করে ভুট্টাক্ষেতের মধ্যে নিয়ে যায়। ধৃত আসামি রাকিবুল ভিকটিমের মুখ চেপে ধরলে আসামি বেলাল প্রথমে ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপরে, ধৃত আসামি রাকিবুল এবং অপর আসামি ছাইয়াকুল পালাক্রমে ভিকটিমকে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আসামিরা ভিকটিমকে ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে, ভিকটিমের পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চিকিৎসা শেষে গত ২২/০৪/২০২৬ তারিখে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(৩) ধারায় জোরপূর্বক গণধর্ষণ করার মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-২৭।
। ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা চতুরতার সাথে আত্মগোপনে ছিলো। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় আসামি গ্রেফতারের লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে সচেষ্ট হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানী, র্যাব-১৩, রংপুর এর একটি আভিযানিক দল ১০/০৫/২০২৬ তারিখ রাত ১০.৩০ ঘটিকায় রংপুর মহানগরীর তাজহাট থানাধীন দর্শনা মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার গণধর্ষণ মামলার ২নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রকিবুল ইসলাম (৩২), পিতা-মোঃ জামাল উদ্দিন, সাং-উত্তর পারুলিয়া, ২ নং ওয়ার্ড, থানা-হাতীবান্ধা, জেলা- লালমনিরহাটকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের প্রতিটি শিশু ধর্ষণ, অপহরণ, হত্যাসহ সকল অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য দৃঢ়প্রত্যয়ের সাথে কাজ করছে এবং চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।