শাহ কামাল সবুজঃ
তঙ্কের নাম মাদক সম্রাট রমজান। আওয়ামী লীগ শাসনামলে শীর্ষ সন্ত্রাসী তালিকায় থাকা পানি আক্তার ও তার অন্যতম সহযোগী এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জের বিহারি ক্যাম্প ও তৎসংলগ্ন এলাকার বর্তমান আ আন্দোলনে তিনটি হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি মাদকসম্রাট রমজান, সে এখন প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশের তালিকায় নাম থাকলেও তার এই অবাধ বিচরণে জনমনে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
জানা গেছে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থান দমনে রমজান সম্মুখ সাঁরিতে থেকে আন্দোলনকারীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পটভূমি পাল্টালেও তার দাপট ও প্রভাব এতটুকু কমেনি অভিযোগ স্থানীয়দের।
বাবলা ও আরমানের বাবা মো: মেজর আলী একজন মিষ্টভাষী ও স্বজ্জন ব্যক্তি। আদমজী বিহারী ক্যাম্পে ছোট্ট একটি ভাতের হোটেল করে পরিবার পরিজন নিয়ে কোনমতে দিন যাপন করেন। সেই হোটেলের উপর নজর পড়ে সাবেক কমিশনার আওয়ামী দোসর মতিউর রহমান মতির, সে তার দলবল নিয়ে হামলা করে মেজর আলীর ভাতের হোটেলে। প্রতিবাদ করায় তৎ সময়ে ছয়টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকি সহ লেলিয়ে দেওয়া হয় পনি আক্তার এর বাহিনীর অন্যতম সহযোগী মাদক সম্রাট রমজানকে।
সেই থেকে আজ অবধি মেজর আলী প্রতিনিয়ত শিকার হচ্ছে রমজান আলীর টার্গেটে, এরই ধারাবাহিকতায় মাদক সম্রাট রমজান আলী মেজর আলীর ছেলে বাবলা ও তার বন্ধু আরমানকে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক বৈষম্য বিরোধী মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। দীর্ঘ ছয় মাস জেল খেটে বেকসুর খালাস নিয়ে কারা মুক্ত হয় তারা কিন্তু এখনোও মাদক সম্রাট রমজান আলী তার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন, বিভিন্ন হলুদ সাংবাদিক ডেকে এনে বাবলা ও আরমানকে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করতে, তাদেরকে ষড়যন্ত্র মূলক মাদক বিক্রেতা বা ব্যবসায়ী বানাতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, "আমরা এসব হলুদ অপসংবাদিকদের ঘৃণা করি বিশেষভাবে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাশাপাশি ওই সমস্ত ভুয়া খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।
তঙ্কের নাম মাদক সম্রাট রমজান। আওয়ামী লীগ শাসনামলে শীর্ষ সন্ত্রাসী তালিকায় থাকা পানি আক্তার ও তার অন্যতম সহযোগী এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জের বিহারি ক্যাম্প ও তৎসংলগ্ন এলাকার বর্তমান আ আন্দোলনে তিনটি হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি মাদকসম্রাট রমজান, সে এখন প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশের তালিকায় নাম থাকলেও তার এই অবাধ বিচরণে জনমনে চরম ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
জানা গেছে গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থান দমনে রমজান সম্মুখ সাঁরিতে থেকে আন্দোলনকারীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পটভূমি পাল্টালেও তার দাপট ও প্রভাব এতটুকু কমেনি অভিযোগ স্থানীয়দের।
বাবলা ও আরমানের বাবা মো: মেজর আলী একজন মিষ্টভাষী ও স্বজ্জন ব্যক্তি। আদমজী বিহারী ক্যাম্পে ছোট্ট একটি ভাতের হোটেল করে পরিবার পরিজন নিয়ে কোনমতে দিন যাপন করেন। সেই হোটেলের উপর নজর পড়ে সাবেক কমিশনার আওয়ামী দোসর মতিউর রহমান মতির, সে তার দলবল নিয়ে হামলা করে মেজর আলীর ভাতের হোটেলে। প্রতিবাদ করায় তৎ সময়ে ছয়টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকি সহ লেলিয়ে দেওয়া হয় পনি আক্তার এর বাহিনীর অন্যতম সহযোগী মাদক সম্রাট রমজানকে।
সেই থেকে আজ অবধি মেজর আলী প্রতিনিয়ত শিকার হচ্ছে রমজান আলীর টার্গেটে, এরই ধারাবাহিকতায় মাদক সম্রাট রমজান আলী মেজর আলীর ছেলে বাবলা ও তার বন্ধু আরমানকে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক বৈষম্য বিরোধী মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। দীর্ঘ ছয় মাস জেল খেটে বেকসুর খালাস নিয়ে কারা মুক্ত হয় তারা কিন্তু এখনোও মাদক সম্রাট রমজান আলী তার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন, বিভিন্ন হলুদ সাংবাদিক ডেকে এনে বাবলা ও আরমানকে সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করতে, তাদেরকে ষড়যন্ত্র মূলক মাদক বিক্রেতা বা ব্যবসায়ী বানাতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, "আমরা এসব হলুদ অপসংবাদিকদের ঘৃণা করি বিশেষভাবে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাশাপাশি ওই সমস্ত ভুয়া খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।