নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর মুগদা থানাধীন মানিকনগর বালুর মাঠ এলাকায় গড়ে উঠেছে চোরা রিকশা বেচাকেনা ও মাদক ব্যবসার একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এক সময়ের সিএনজি চালক সেলিম ওরফে “সিএনজি সেলিম” বর্তমানে এলাকাজুড়ে রিকশা চুরি, মাদক ব্যবসা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবদলের পরিচয় ব্যবহার করে সেলিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া রিকশা গোপনে এনে তার নিয়ন্ত্রিত চক্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসাও পরিচালিত হচ্ছে তার আশ্রয়ে থাকা সহযোগীদের মাধ্যমে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দলীয় পদ পাওয়ার আশায় সেলিম নিজেকে “সংশোধিত” দাবি করলেও আড়ালে মাদক ব্যবসা ও চোরাই রিকশা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ এখনো তার হাতেই রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি সরাসরি সামনে না এসে অন্যদের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সন্ধ্যার পর মানিকনগর বালুর মাঠ এলাকায় অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে যায়। মাদক সেবন, বেচাকেনা এবং চোরাই রিকশার লেনদেন নিয়ে সাধারণ মানুষ আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে বসবাস করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যে পুলিশ অভিযান চালালেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে ছোটখাটো কর্মচারী বা “সেলসম্যান” গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে পার পেয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, মাননীয় সংসদ সদস্যের কঠোর অবস্থানের পরও এক শ্রেণির বিপথগামী রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এসব অপকর্ম চলমান রয়েছে। ফলে এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, চোরাই রিকশা সিন্ডিকেট ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রাজধানীর মুগদা থানাধীন মানিকনগর বালুর মাঠ এলাকায় গড়ে উঠেছে চোরা রিকশা বেচাকেনা ও মাদক ব্যবসার একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এক সময়ের সিএনজি চালক সেলিম ওরফে “সিএনজি সেলিম” বর্তমানে এলাকাজুড়ে রিকশা চুরি, মাদক ব্যবসা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের অন্যতম নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবদলের পরিচয় ব্যবহার করে সেলিম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া রিকশা গোপনে এনে তার নিয়ন্ত্রিত চক্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসাও পরিচালিত হচ্ছে তার আশ্রয়ে থাকা সহযোগীদের মাধ্যমে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, দলীয় পদ পাওয়ার আশায় সেলিম নিজেকে “সংশোধিত” দাবি করলেও আড়ালে মাদক ব্যবসা ও চোরাই রিকশা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ এখনো তার হাতেই রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি সরাসরি সামনে না এসে অন্যদের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সন্ধ্যার পর মানিকনগর বালুর মাঠ এলাকায় অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে যায়। মাদক সেবন, বেচাকেনা এবং চোরাই রিকশার লেনদেন নিয়ে সাধারণ মানুষ আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে বসবাস করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, মাঝেমধ্যে পুলিশ অভিযান চালালেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে ছোটখাটো কর্মচারী বা “সেলসম্যান” গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে পার পেয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, মাননীয় সংসদ সদস্যের কঠোর অবস্থানের পরও এক শ্রেণির বিপথগামী রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এসব অপকর্ম চলমান রয়েছে। ফলে এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, চোরাই রিকশা সিন্ডিকেট ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।