নিজস্ব প্রতিবেদক
কুলাউড়ায় ২৬ চা বাগানের মধ্যে ২১ বাগানে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। বিদ্যালয় না থাকার কারণে শত শত প্রান্তিক শিশু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ছে। ফলে ১৭২ বছর আগে চা বাগানের জন্ম হলেও শিক্ষা ক্ষেত্রে বাগান শ্রমিকরা পিছিয়ে রয়েছে। ভূমি জটিলতা ও বাগান কর্তৃপক্ষের উদাসিনতার কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনেও পিছিয়ে রয়েছে। বাগানগুলোতে বেসরকারি কিছু স্কুল থাকলেও স্কুলগুলোর অবস্থা জরাজীর্ণ। কোনো কোনো স্কুল এক কক্ষ বিশিষ্ট, আবার কোথাও দুই কক্ষ বিশিষ্ট। এসব স্কুলের লেখাপড়ার মান খুবই নিম্নমানের।
কুলাউড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হিংগাজিয়া, সিরাজনগর, বরমচাল, রেহানা, গাজীপুর, ঝিমাই, মেরিনা, ঝুনকিজালাই, রাঙ্গিছড়া ফাঁড়ি, ক্লিভডন, বিজয়া, কালিটি, চাতলাপুর, লংলা, তিলকপুর, আজগরাবাদ, দিলদারপুর, বোরহাননগর, রাজানগর, তারাপাশা ও মুরইছড়া চা বাগানে সরকারি বিদ্যালয় নেই।
এসব বাগানের হাজার হাজার শ্রমিক পরিবারে শিশুরা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোনো কোনো বাগানে নামমাত্র বাগান পরিচালিত, বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে ভালো শিক্ষক ও মানসম্পন্ন শিক্ষার পরিবেশ নেই বললেই চলে। এ কারণে শত শত শিশু প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করার আগেই ঝরে পড়ছে।
কুলাউড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হিংগাজিয়া, সিরাজনগর, বরমচাল, রেহানা, গাজীপুর, ঝিমাই, মেরিনা, ঝুনকিজালাই, রাঙ্গিছড়া ফাঁড়ি, ক্লিভডন, বিজয়া, কালিটি, চাতলাপুর, লংলা, তিলকপুর, আজগরাবাদ, দিলদারপুর, বোরহাননগর, রাজানগর, তারাপাশা ও মুরইছড়া চা বাগানে সরকারি বিদ্যালয় নেই।
এসব বাগানের হাজার হাজার শ্রমিক পরিবারে শিশুরা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কোনো কোনো বাগানে নামমাত্র বাগান পরিচালিত, বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে ভালো শিক্ষক ও মানসম্পন্ন শিক্ষার পরিবেশ নেই বললেই চলে। এ কারণে শত শত শিশু প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করার আগেই ঝরে পড়ছে।