নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আকাশে হঠাৎ দেখা যায় টর্চলাইটের মতো উজ্জ্বল আলোর বিচ্ছুরণ এবং আঁকাবাঁকা ধোঁয়ার কুণ্ডলী। অস্বাভাবিক এই দৃশ্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। কেউ একে মহাজাগতিক ঘটনা, আবার কেউ UFO বা ভিনগ্রহের কোনো যান বলে মন্তব্য করেন। তবে পরে জানা যায়, এটি ছিল ভারতের একটি সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গ্লাইড ওয়েপন পরীক্ষার দৃশ্য।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) নিশ্চিত করেছে যে, ৭ ও ৮ মে ওড়িশা উপকূল থেকে তারা ‘টারা’ (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামের একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের বিশাল আকাশসীমাজুড়ে জারি করা হয়েছিল NOTAM (Notice to Airmen), যা সাধারণত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্র পরীক্ষার সময় ব্যবহার করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র বা গ্লাইড ওয়েপনটি যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অনেক উঁচু স্তরে, প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন এর জ্বালানি ও বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের বিক্রিয়ায় এক ধরনের উজ্জ্বল আলোকচ্ছটার সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় ভূপৃষ্ঠে অন্ধকার নেমে এলেও ওই উচ্চতায় সূর্যের আলো পৌঁছায়। ফলে ধোঁয়া ও গ্যাসের ওপর সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে নিচ থেকে বিশাল ‘জেলিফিশ’ বা সার্চলাইটের মতো দেখায়। বিজ্ঞানীরা একে “জেলিফিশ ইফেক্ট” বা “গোধূলি প্রপঞ্চ” বলে থাকেন।
অন্যদিকে, ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে তৈরি হওয়া ধোঁয়ার রেখা ওপরের স্তরের প্রবল বাতাসের চাপে ধীরে ধীরে এঁকেবেঁকে যায়। ফলে আকাশে এটি অনেকটা সাপের মতো পাক খাওয়া ধোঁয়ার কুণ্ডলীর আকৃতি নেয়।
শুধু খুলনা নয়, ঢাকা, সাতক্ষীরা, যশোর ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও এই দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করলেও পরে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ায় আতঙ্ক কেটে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার যুগে এ ধরনের দৃশ্য নতুন কিছু নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ক্ষেপণাস্ত্র বা মহাকাশযান উৎক্ষেপণের সময় প্রায় একই ধরনের আলোকচ্ছটা সৃষ্টি হতে দেখা যায়। তাই এ ঘটনাকে রহস্য নয়, বরং বিজ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আকাশে হঠাৎ দেখা যায় টর্চলাইটের মতো উজ্জ্বল আলোর বিচ্ছুরণ এবং আঁকাবাঁকা ধোঁয়ার কুণ্ডলী। অস্বাভাবিক এই দৃশ্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। কেউ একে মহাজাগতিক ঘটনা, আবার কেউ UFO বা ভিনগ্রহের কোনো যান বলে মন্তব্য করেন। তবে পরে জানা যায়, এটি ছিল ভারতের একটি সামরিক ক্ষেপণাস্ত্র ও গ্লাইড ওয়েপন পরীক্ষার দৃশ্য।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (PIB) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (DRDO) নিশ্চিত করেছে যে, ৭ ও ৮ মে ওড়িশা উপকূল থেকে তারা ‘টারা’ (TARA - Tactical Advanced Range Augmentation) নামের একটি দেশীয় গ্লাইড ওয়েপন সিস্টেমের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের বিশাল আকাশসীমাজুড়ে জারি করা হয়েছিল NOTAM (Notice to Airmen), যা সাধারণত দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বা হাইপারসোনিক অস্ত্র পরীক্ষার সময় ব্যবহার করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র বা গ্লাইড ওয়েপনটি যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অনেক উঁচু স্তরে, প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন এর জ্বালানি ও বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসের বিক্রিয়ায় এক ধরনের উজ্জ্বল আলোকচ্ছটার সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় ভূপৃষ্ঠে অন্ধকার নেমে এলেও ওই উচ্চতায় সূর্যের আলো পৌঁছায়। ফলে ধোঁয়া ও গ্যাসের ওপর সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে নিচ থেকে বিশাল ‘জেলিফিশ’ বা সার্চলাইটের মতো দেখায়। বিজ্ঞানীরা একে “জেলিফিশ ইফেক্ট” বা “গোধূলি প্রপঞ্চ” বলে থাকেন।
অন্যদিকে, ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে তৈরি হওয়া ধোঁয়ার রেখা ওপরের স্তরের প্রবল বাতাসের চাপে ধীরে ধীরে এঁকেবেঁকে যায়। ফলে আকাশে এটি অনেকটা সাপের মতো পাক খাওয়া ধোঁয়ার কুণ্ডলীর আকৃতি নেয়।
শুধু খুলনা নয়, ঢাকা, সাতক্ষীরা, যশোর ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও এই দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করলেও পরে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ায় আতঙ্ক কেটে যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার যুগে এ ধরনের দৃশ্য নতুন কিছু নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ক্ষেপণাস্ত্র বা মহাকাশযান উৎক্ষেপণের সময় প্রায় একই ধরনের আলোকচ্ছটা সৃষ্টি হতে দেখা যায়। তাই এ ঘটনাকে রহস্য নয়, বরং বিজ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।