নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপলোড সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৭:৩২:১৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৭:৩২:১৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। বিশেষজ্ঞের একটি কমিটি বই পরিবর্তন ও পরিমার্জনের কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার দুপুরে বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও ‘সমাজ জাগরণে প্রকাশক ও বিক্রেতাদের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে বইয়ের কাগজের মান ও প্রিন্টিং উন্নত হতে হবে। নোট-গাইড থেকে শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরি কারার পদ্ধতি বন্ধে উদ্যোগ নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আধুনিকায়নের এই যুগে সরকার ট্যাবসহ ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী মিলন। তিনি বলেন, এর ফলে চিরাচরিত গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরতা কমছে। এখন শিক্ষকদের ট্যাব দেয়া হচ্ছে, ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদের হাতে ট্যাব দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পরিবর্তনশীল শিক্ষাব্যবস্থায় নোট ও গাইড বইয়ের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসছে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর বিকল্প হিসেবে মানসম্মত সহায়ক বই বাজারে থাকবে। নোট-গাইড বই উঠে গেলে পুস্তক প্রকাশক-বিক্রেতাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরং তারা মানসম্মত সহায়ক বই বাজারে আনবেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী বই প্রকাশ ও বিক্রি করতে পারেন।

শিক্ষা খাতে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা তুলে এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছে। সরকার আগামী বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়াবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বই প্রকাশক-বিক্রেতাদের সঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির তেমন কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবুও এই দুই প্রতিষ্ঠান অমর একুশে বইমেলার নেতৃত্বে রয়েছে। সেজন্য আগামী বছরের বইমেলা আয়োজনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাপুসকে যুক্ত করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দাবি তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাবাজারে বই প্রকাশনা-বিক্রির বড় পরিধি রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত প্রকাশক-বিক্রেতাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এদেশে প্রকাশিত বই-পুস্তক রপ্তানি যোগ্য পণ্য হতে পারে। কারণ, উন্নত বিশ্বে যে সকল বই বিক্রি হয়, সেগুলোর অনেক দাম। কিন্তু আমাদের অনেক কম মূল্যে উন্নত মানের বই ছাপানোর সক্ষমতা আছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম হবে না। তাই বিশ্বে সবচেয়ে বড় পুস্তক রপ্তানিকারক দেশ হওয়ার সুযোগ আমাদের রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি উদ্যোগী ভূমিকা পালন করতে পারে।

সভাপতির বক্তব্যে বাপুসের সভাপতি মো. রেজাউল করিম সরকারের কাছে প্রকাশনা ও মুদ্রণশিল্পকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান। এসময় নীতি সহায়তা ও স্বল্প সুদে ঋণ সহয়তা দেয়ার দাবি তোলেন বক্তারা।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]