নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরীয় একটি দেশ (জিসিসিভুক্ত) থেকে পূর্বসতর্কতা হিসেবে চারটি জাহাজ সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গালফ মেরিন সার্ভিসেস (জিএমএস)।
রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ শতাংশ কমে গেছে।
অফশোর মেরিন সাপোর্ট প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটি শুক্রবার জানিয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে তাদের মূল মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।
মার্চ মাসে একটি জিসিসিভুক্ত দেশ থেকে চারটি জাহাজ সরিয়ে নেওয়ায় সেখানে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং ওই মাসটিতে জাহাজগুলো থেকে কোনো রাজস্ব আসেনি। তবে কোন দেশ থেকে জাহাজগুলো সরানো হয়েছিল, নিরাপত্তার খাতিরে সেই নাম প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি।
জিএমএস আরো জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার এক মাস পর এপ্রিলের শুরুতে ক্রুরা সব জাহাজে ফিরে এসেছেন। এর কয়েক দিন পর গ্রাহকরাও দুটি জাহাজে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছেন। সাময়িক এই লোকসান সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের ২০২৬ সালের পুরো বছরের মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রেখেছে।
রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ শতাংশ কমে গেছে।
অফশোর মেরিন সাপোর্ট প্রদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটি শুক্রবার জানিয়েছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে তাদের মূল মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে। গত বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।
মার্চ মাসে একটি জিসিসিভুক্ত দেশ থেকে চারটি জাহাজ সরিয়ে নেওয়ায় সেখানে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং ওই মাসটিতে জাহাজগুলো থেকে কোনো রাজস্ব আসেনি। তবে কোন দেশ থেকে জাহাজগুলো সরানো হয়েছিল, নিরাপত্তার খাতিরে সেই নাম প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি।
জিএমএস আরো জানিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরু হওয়া এবং পরবর্তী সময়ে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার এক মাস পর এপ্রিলের শুরুতে ক্রুরা সব জাহাজে ফিরে এসেছেন। এর কয়েক দিন পর গ্রাহকরাও দুটি জাহাজে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছেন। সাময়িক এই লোকসান সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের ২০২৬ সালের পুরো বছরের মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রেখেছে।