কাটা ধানেই গজাচ্ছে চারা, চোখে অন্ধকার দেখছেন রামপালের কৃষক

আপলোড সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় মাঠে পড়ে থাকা কাটা ধানেই চারা গজাতে শুরু করেছে। অকাল বৃষ্টিতে ধান নষ্ট হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই ঘরে তোলার আগেই ফসল হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৌসুমের শেষ সময়ে হঠাৎ টানা বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারেননি তারা। অনেক কৃষক জমি থেকে ধান কেটে শুকানোর জন্য মাঠে রেখেছিলেন। কিন্তু বৃষ্টির পানিতে সেই ধান ভিজে গিয়ে এখন অঙ্কুরোদগম শুরু করেছে। এতে উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না, তা নিয়েও উদ্বিগ্ন তারা।

রামপাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কাটা ধান পানির নিচে ডুবে আছে। কোথাও কোথাও ধানের শীষ থেকেই ছোট ছোট চারা বের হয়ে এসেছে। অনেকে কষ্ট করে ধান তুলে সরকারি সড়কের পাশে শুকানোর চেষ্টা করছেন। তবে ধান পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত মাড়াই করতে পারছেন না কৃষকরা। কারণ ভেজা ধান মাড়াই করলে ধান ঝরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের কৃষক আনিস আলী বলেন, “অনেক কষ্ট করে ধান চাষ করেছি। কিন্তু এই বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ধান ঘরে তুলতে না পারায় মাঠেই গজিয়ে যাচ্ছে। এখন কীভাবে লোকসান সামাল দেব বুঝতে পারছি না।”

আরেক কৃষক জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে শুধু ধান নষ্টই হয়নি, শ্রমিক সংকটের কারণেও দ্রুত ধান ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ছে।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন,
“বর্তমান আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে কৃষকদের দ্রুত ধান সংগ্রহ করে শুকনো স্থানে সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা না হলে তারা বড় ধরনের সংকটে পড়বেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]