নিজস্ব প্রতিবেদক
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অনুমোদনহীন ও নকল জুস, জেলি, লিকুইড দইসহ বিভিন্ন প্রকার শিশুখাদ্য তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৬ মে) রাতে উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কারখানার মালিক মজনু হোসেনকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই কুষ্টিয়ার পরিদর্শক আসিফ করিম, ফিল্ড অফিসার খাইরুল ইসলামসহ থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার চকবাজার থেকে বিভিন্ন নামী-দামি ও অনুমোদিত কোম্পানির লেবেল বা ব্যাচ সংগ্রহ করে সাতবাড়ীয়া এলাকায় কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুখাদ্য তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এই অপরাধে রেজাউল করিমের ছেলে মজনু হোসেনকে (৩২) ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশুখাদ্য ও তৈরির কাঁচামাল ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া একই এলাকায় পৃথক এক অভিযানে মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে শাহাদত হোসেনের (৪২) বাড়িতে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক বোতলজাত ঔষধ পাওয়া যায়। লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় শাহাদত হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের ভেজাল ও অনুমোদনহীন কারখানার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (৬ মে) রাতে উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে কারখানার মালিক মজনু হোসেনকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই কুষ্টিয়ার পরিদর্শক আসিফ করিম, ফিল্ড অফিসার খাইরুল ইসলামসহ থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার চকবাজার থেকে বিভিন্ন নামী-দামি ও অনুমোদিত কোম্পানির লেবেল বা ব্যাচ সংগ্রহ করে সাতবাড়ীয়া এলাকায় কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুখাদ্য তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এই অপরাধে রেজাউল করিমের ছেলে মজনু হোসেনকে (৩২) ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন শিশুখাদ্য ও তৈরির কাঁচামাল ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া একই এলাকায় পৃথক এক অভিযানে মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে শাহাদত হোসেনের (৪২) বাড়িতে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক বোতলজাত ঔষধ পাওয়া যায়। লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় শাহাদত হোসেনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের ভেজাল ও অনুমোদনহীন কারখানার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।