‎ঋণ নিয়ে চাষ, পানিতে শেষ হবিগঞ্জের হাওরে কৃষকের দিশেহারা জীবন ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০ হাজার কৃষক

আপলোড সময় : ০২-০৫-২০২৬ ০১:৩৮:১৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০২-০৫-২০২৬ ০১:৩৮:১৩ অপরাহ্ন
‎
‎স্বপন রবি দাশ, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
‎
‎টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ হাজার কৃষক সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
‎
‎জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতে হাওরসহ মোট ১১ হাজার ৫৩৭ হেক্টর জমি প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬২৩ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে এবং ৫ হাজার ৯১৫ হেক্টর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
‎
‎হাওর এলাকার বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমির পাকা ধান পানির নিচে ডুবে আছে। কোথাও কাটা ধান শুকানোর আগেই বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে। ফলে চলতি মৌসুমের ফসল ঘরে তুলতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা।
‎
‎তাড়ানগাঁও গ্রামের কৃষক সন্ধ্যা রানী দাশ বলেন, ঋণ নিয়ে চাষ করা প্রায় ১০ কিয়ার জমির ধানল ঘরে তোলার আগেই তলিয়ে গেছে। এতে পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন হাওরাঞ্চলের আরও অনেক কৃষক।
‎
‎ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান জরুরি বলে তারা মনে করছেন।
‎
‎জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ দ্বীপক কুমার পাল জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা তথ্য সংগ্রহ করছেন। তালিকা চূড়ান্ত হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে এবং সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
‎
‎প্রতি বছরই হাওরাঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের বৃষ্টি ও ঢলে ফসলহানির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। 
‎
‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত সহায়তা না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে।
‎

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]