পশ্চিমবঙ্গে বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪০ শতাংশ

আপলোড সময় : ২৯-০৪-২০২৬ ০১:২৩:০৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৪-২০২৬ ০১:২৩:০৫ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এ দফায় মোট ১৪২টি আসনে ভোট চলছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। নির্বাচনে বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৩৯.৯ শতাংশ।

এ দফায় প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ১ হাজার ৪০০ প্রার্থী। দক্ষিণবঙ্গ ও কলকাতা অঞ্চলকে ঘিরে এই পর্বটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন বিজেপির কাছ থেকে। বিশেষ করে ভবানীপুর কেন্দ্রের লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি এই নির্বাচনে বাড়তি গুরুত্ব যোগ করেছে।

তবে আজ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতেই রাজ্যের একাধিক এলাকায় উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। চাঁপড়া, শান্তিপুর ও ভাঙড়সহ বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ দফার ভোটগ্রহণ হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পরিচালিত বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়াকে ঘিরে চলমান বিতর্কের প্রেক্ষাপটে।
পশ্চিমবঙ্গে ইভিএম ত্রুটির অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানায়, এন্টালি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল একটি ভোটকেন্দ্রে তার দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভোটকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। ছোট জায়গার কারণে ওই এজেন্টকে বেরিয়ে যেতে বলা হয় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তৃণমূল প্রার্থীর প্রতিনিধি যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুপক্ষকেই কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় তিব্রেওয়াল অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে একাধিক লোক ঢুকিয়ে ভোটে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা চলছে।

এর আগে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড ৯৩.২ শতাংশ ভোট পড়েছিল, যা ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। তবে নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধন একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়ার অভিযোগ ভোটার আচরণ ও প্রচারণায় প্রভাব ফেলেছে।

এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনা ও নদীয়া অঞ্চলে মাতুয়া ভোটারদের ভূমিকা নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলেছে। নির্বাচনি প্রচারণায় তীব্র বাকবিতণ্ডা এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে। ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও নগদ অর্থ জব্দের ঘটনাও সামনে এসেছে।

শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রশাসন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আগামী ৪ মে ফলাফল ঘোষণার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে কিনা, নাকি বিজেপি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]