নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া সদর উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের রোমাইপাড়া ও সাইটপাড়া গ্রামের দেড়শ পরিবার সাগনের ভাঙনের মুখে রয়েছে। সপ্তাহ পর পূর্ণিমার জোয়ারে সাগরের পানি বৃদ্ধি পেলে লবন পানি আঁচরে পড়বে গ্রামের বসতবাড়িতে।
সাইটপাড়ার বাসিন্দা উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার মো. ফয়েজ আক্ষেপ করে বলেন, আগে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল ছোট সাইজের। জোয়ারে সহজেই ছিঁড়ে যায়। বড় সাইজের জিও ব্যাগ না দিলে জরুরি মুহূর্তে কোনো কাজেই যাবে না। ভাঙন কবলিত ব্লকের পাশে থাকা সাইট পাড়া জামে মসজিদটি সাগরে ইতিমধ্যে চলে গেছে।
বড়ঘোপ ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মালেক বলেন, অতিরিক্ত জোয়ার হলেই রোমাইপাড়া ও সাইট পাড়ার বাঁধের পাশে জেলে পেশায় ১৫০ পরিবারের আশ্রয় বসতভিটা ভাঙনে সাগরে বিলিন হয়ে যাবে। আসন্ন পূর্ণিমার আগেই জরুরি মেরামতের কাজ করার করার দাবি জানান তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের জরুরি কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা কক্সবাজার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সালাহ উদ্দীন আহমদ বলেন, কুতুবদিয়ায় ভাঙা বাঁধ জরুরি সংস্কারে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট স্পটগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। পক্রিয়া চলমান তবে খুব কম সময়ের মধ্যে সেটা সম্ভব হবে।
কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, কুতুবদিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে যেসমস্ত স্থানে বাঁধ জোয়ারে ভেঙে গেছে, সেগুলো বর্ষা মওসুমের আগেই জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কার করা হবে।
সাইটপাড়ার বাসিন্দা উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার মো. ফয়েজ আক্ষেপ করে বলেন, আগে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল ছোট সাইজের। জোয়ারে সহজেই ছিঁড়ে যায়। বড় সাইজের জিও ব্যাগ না দিলে জরুরি মুহূর্তে কোনো কাজেই যাবে না। ভাঙন কবলিত ব্লকের পাশে থাকা সাইট পাড়া জামে মসজিদটি সাগরে ইতিমধ্যে চলে গেছে।
বড়ঘোপ ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মালেক বলেন, অতিরিক্ত জোয়ার হলেই রোমাইপাড়া ও সাইট পাড়ার বাঁধের পাশে জেলে পেশায় ১৫০ পরিবারের আশ্রয় বসতভিটা ভাঙনে সাগরে বিলিন হয়ে যাবে। আসন্ন পূর্ণিমার আগেই জরুরি মেরামতের কাজ করার করার দাবি জানান তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধের জরুরি কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা কক্সবাজার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সালাহ উদ্দীন আহমদ বলেন, কুতুবদিয়ায় ভাঙা বাঁধ জরুরি সংস্কারে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট স্পটগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। পক্রিয়া চলমান তবে খুব কম সময়ের মধ্যে সেটা সম্ভব হবে।
কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, কুতুবদিয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন আছে। তবে যেসমস্ত স্থানে বাঁধ জোয়ারে ভেঙে গেছে, সেগুলো বর্ষা মওসুমের আগেই জিও ব্যাগ ফেলে সংস্কার করা হবে।