গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় গভীর রাতে বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালে লেখা হয়েছে" জয়বাংলা"। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা এ শ্লোগান লিখেছেন। গলাচিপা পৌরসভার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে মুখোশ পরা একাধিক যুবক স্প্রে পেইন্ট বোতল দিয়ে এ শ্লোগান লিখে দ্রুত সরে পড়ছেন। কলেজ রোড, চৌরাস্তা, সদর রোডসহ বিভিন্ন এলাকার দেয়ালে গভীর রাতে লেখা হয় জয়বাংলা,শেখ হাসিনা আসবে,পুলিশ হত্যার বিচার চাই,জুলাই ষড়যন্ত্র । স্থানীয়রা বলছেন এটি ছাত্রলীগই করেছে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো গলাচিপা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। এরপর থেকে তাদের প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো তৎপরতা ছিল না। এই দেয়াল লিখনের মাধ্যমে তাদের তৎপরতা সামনে এলো।
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো: আলতাফ খান বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে, শেখ হাসিনার দোসর ও ফ্যাসিবাদের সমর্থকরা রাতের বেলায় দেয়াল লিখনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের কাছে দাবি তাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।
গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. জিল্লুর রহমান বলেন, যারা রাতের আধারে এ কাজ করেছেন তাদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় গভীর রাতে বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালে লেখা হয়েছে" জয়বাংলা"। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা এ শ্লোগান লিখেছেন। গলাচিপা পৌরসভার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে মুখোশ পরা একাধিক যুবক স্প্রে পেইন্ট বোতল দিয়ে এ শ্লোগান লিখে দ্রুত সরে পড়ছেন। কলেজ রোড, চৌরাস্তা, সদর রোডসহ বিভিন্ন এলাকার দেয়ালে গভীর রাতে লেখা হয় জয়বাংলা,শেখ হাসিনা আসবে,পুলিশ হত্যার বিচার চাই,জুলাই ষড়যন্ত্র । স্থানীয়রা বলছেন এটি ছাত্রলীগই করেছে।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো গলাচিপা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা আত্মগোপনে চলে যান। এরপর থেকে তাদের প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো তৎপরতা ছিল না। এই দেয়াল লিখনের মাধ্যমে তাদের তৎপরতা সামনে এলো।
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো: আলতাফ খান বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে, শেখ হাসিনার দোসর ও ফ্যাসিবাদের সমর্থকরা রাতের বেলায় দেয়াল লিখনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের কাছে দাবি তাদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।
গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. জিল্লুর রহমান বলেন, যারা রাতের আধারে এ কাজ করেছেন তাদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।