আসছে ঘাতক রোবট, পাল্টে যাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রের চিত্র

আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০১:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
পূর্ব ইউক্রেনের একটি উপত্যকার মধ্য দিয়ে রুশ অবস্থানের দিকে ছুটে যাচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত রোবট। এরপর যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ছে শত্রুবাহিনীর ওপর। এই রোবটগুলো ছোট ছোট সবুজ ওয়াগনের মতো দেখতে। একেকটি রোবটে থাকে ৬৬ পাউন্ড বিস্ফোরক।

রিমোর্ট নিয়ন্ত্রিত রোবটগুলো যখন শত্রু সেনাদের কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন একটি ড্রোন উড়ে এসে পথ পরিষ্কার করতে সাহায্য করার জন্য একটি বোমা ফেলে। এরপর রোবটগুলোর মধ্যে একটি দ্রুত ছুটে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়, আর বাকিগুলো ওই স্থান পর্যবেক্ষণ করতে পেছনে থেকে যায়।

গত গ্রীষ্মে ভিডিওতে ধারণ করা এই হামলা দেখায়, ইউক্রেন কীভাবে যুদ্ধের একটি নতুন পদ্ধতির পথ দেখাচ্ছে, এমনটাই বলছেন দেশটির নেতারা।

সেনা স্বল্পতা থাকার কারণে ঝুঁকি না নিয়ে আত্মরক্ষার উপায় খুঁজতে গিয়ে কিয়েভ যুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত বছর খারকিভ অঞ্চলে সংঘটিত হামলাটি প্রমাণ করে যে, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী এখন শুধুমাত্র স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়েই রাশিয়ার অবস্থানগুলো দখল করতে পারে।

যুদ্ধক্ষেত্রে জনবলই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ণায়ক উপাদান। তবে অদূর ভবিষ্যতে, যুদ্ধ হবে রোবট নির্ভর।

যদিও স্থল রোবটগুলো প্রধানত রসদ সরবরাহ
এবং বিপজ্জনক এলাকা থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি কাজে ব্যবহৃত হয়, তারপরও ইউক্রেন ক্রমবর্ধমান হারে হামলা চালানোর জন্যও এগুলো ব্যবহার করছে।

ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে সেনাবাহিনী বিস্ফোরক, মেশিনগান বা রকেটের মতো অন্যান্য অস্ত্রে সজ্জিত ড্রোন ব্যবহার করে নয় হাজারের বেশি সম্মুখ যুদ্ধ পরিচালনা করেছে।

এই স্থল ড্রোনগুলো ছোট কোয়াডকপ্টার ড্রোনের চেয়ে ধীরগতির এবং বেশি দৃশ্যমান, যা এদেরকে শত্রুর গুলিতে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। বেশিরভাগ ড্রোন প্রায় ২৪ ঘণ্টা টিকে থাকে, এরপর হয় সেগুলোর ব্যাটারি শেষ হয়ে যায় অথবা সেগুলো শনাক্ত ও ধ্বংস হয়ে যায়। তবে স্থল রোবটগুলো আকাশচারী ড্রোনের চেয়ে অনেক বেশি বিস্ফোরক বহন করতে পারে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]