আপনাদের মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসত!

আপলোড সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০১:৩৯:১৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৬-০৪-২০২৬ ০১:৩৯:১৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ছাত্রদলের নেতাদের ইঙ্গিত করে বলেছেন, “ভাই! আপনারা সিনিয়র না, আপনারা তো ক্যাম্পাসের ‘ঐতিহ্য’ হয়ে গেছেন! মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসত।” রোববার দুপুরে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন—

আপনার সংগঠনের সভাপতি যখন ২০০৬-০৭ সেশনের, তখন আমি মক্তবে হাফ প্যান্ট পরে আলিফ-বা-তা শিখতেছি। সেক্রেটারি ২০০৭-০৮। আমি তখনো দুনিয়ার চিন্তা বাদ দিয়ে টিফিনে বিস্কুট পাই কি না, সেই টেনশনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ২০১০-১১, আমি ক্লাস থ্রির বইয়ে আমার সোনার বাংলা পড়ে দেশপ্রেম শিখতেছি। সেক্রেটারি ২০১১-১২, আমি তখন পিএসসি পরীক্ষা দিয়ে ভাবতেছি জীবন মানেই বুঝি এইটা!

তারপর কী হলো?

আমি ৮ম দিলাম, ১০ম দিলাম, মাঝখানে করোনা এসে জীবনটা pause করে দিল। তারপর আলিম দিলাম, ভার্সিটিতে ঢুকলাম, এইতো আর ১/১.৫বছরে শেষ।

এখন হিসাবটা একটু মিলাই। আমি শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে তারুণ্য, তারুণ্য থেকে প্রায় ক্যারিয়ারের দরজায়। পুরা লাইফের একটা “full version update” দিয়ে ফেললাম।

আর ওনারা?

Still running on the same old beta version in campus!

আমি ইনশাআল্লাহ ১-১.৫ বছরের মধ্যে ক্যাম্পাস ছাড়ব আর ওনারা তখনো নতুন ব্যাচকে বলবেন,

“আমরা তোদের সিনিয়র… আমাদের সময়…

ভাই! আপনারা সিনিয়র না, আপনারা তো ক্যাম্পাসের ‘ঐতিহ্য’ হয়ে গেছেন! মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসত!

এর আগে ২৫ এপ্রিল সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার মা রোকেয়া খানম। নিজেকে একজন ‘গর্বিত বিপ্লবীর’ মা হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি আম্মারের সংগ্রামী জীবন এবং তাদের পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রাজনৈতিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]