নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং তারসহ সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে, শুরুতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার যে চেষ্টা করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। কিন্তু ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট দেওয়া ডাক্তারের কি কিছুই হবে না? এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ।
রোববার সকালে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন দৈনিক আমার দেশকে বলেন, তখন ফরেনসিক রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছিল ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা । সে আমাদের সহযোগিতা করেনি। আমি শুনেছি সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে এমন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি তাকে আটকে সঠিক রহস্য উদঘাটনের জন্য।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনুকে হত্যার পর পোস্টমর্টেম টিমের প্রধান ছিলেন ডা. কামদা প্রসাদ সাহা (তৎকালীন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান)। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও হত্যার সুস্পষ্ট কারণ এড়িয়ে গিয়ে তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন যে তনুর স্বেচ্ছায় একাধিক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক থাকতে পারে যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল এবং এটি যে আসামিদের বাঁচানোর একটি অপচেষ্টা ছিল।
বিতর্কিত এই চিকিৎসক বর্তমানে খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে কর্মরত আছেন। সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রানিং শিক্ষার্থীদের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে যে, প্রফেসর ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি এনওসি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি সার্ক-ভুক্ত কয়েকটি দেশে ট্যুরের নাম করে মূলত আমেরিকায় পালিয়ে গিয়ে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় (Asylum) চাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে গুরুতর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যেহেতু বর্তমানে মূল মামলার আসামিরা ধরা পড়তে শুরু করেছে, তাই এই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার অন্যতম সহযোগী এবং ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. কামদা প্রসাদ সাহাকে এখনই নজরদারির আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। অবিলম্বে তার এনওসি প্রদানের প্রক্রিয়া স্থগিত এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হোক।
মাহফুজ আজিম একজন জানান, তনু হত্যা মামলায় জালিয়াতির অভিযোগে তাকে অবিলম্বে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হোক।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)-এর কাছে বিষয়টি দ্রুত যাচাইপূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
তনুর মা আনোয়ারা বেগম দৈনিক আমার দেশকে রোববার সকালে বলেন, এই ডাক্তার আমার মেয়ের ডাক্তারের রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছিল । সে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছিল। এখন কেন সে পালিয়ে যাবে। এর কারণ কি । সে যদি অপরাধী না হয় তাহলে সে পালানোর চেষ্টাই বা কেন করবে। আমাদের সন্দেহ হচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।
রোববার সকালে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন দৈনিক আমার দেশকে বলেন, তখন ফরেনসিক রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছিল ডা. কামাদা প্রসাদ সাহা । সে আমাদের সহযোগিতা করেনি। আমি শুনেছি সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে এমন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি তাকে আটকে সঠিক রহস্য উদঘাটনের জন্য।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনুকে হত্যার পর পোস্টমর্টেম টিমের প্রধান ছিলেন ডা. কামদা প্রসাদ সাহা (তৎকালীন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান)। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও হত্যার সুস্পষ্ট কারণ এড়িয়ে গিয়ে তিনি ইঙ্গিত করেছিলেন যে তনুর স্বেচ্ছায় একাধিক পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক থাকতে পারে যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল এবং এটি যে আসামিদের বাঁচানোর একটি অপচেষ্টা ছিল।
বিতর্কিত এই চিকিৎসক বর্তমানে খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে কর্মরত আছেন। সাম্প্রতিক সময়ে খুলনা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রানিং শিক্ষার্থীদের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে যে, প্রফেসর ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি এনওসি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি সার্ক-ভুক্ত কয়েকটি দেশে ট্যুরের নাম করে মূলত আমেরিকায় পালিয়ে গিয়ে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় (Asylum) চাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে গুরুতর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
যেহেতু বর্তমানে মূল মামলার আসামিরা ধরা পড়তে শুরু করেছে, তাই এই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার অন্যতম সহযোগী এবং ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. কামদা প্রসাদ সাহাকে এখনই নজরদারির আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। অবিলম্বে তার এনওসি প্রদানের প্রক্রিয়া স্থগিত এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হোক।
মাহফুজ আজিম একজন জানান, তনু হত্যা মামলায় জালিয়াতির অভিযোগে তাকে অবিলম্বে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হোক।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)-এর কাছে বিষয়টি দ্রুত যাচাইপূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
তনুর মা আনোয়ারা বেগম দৈনিক আমার দেশকে রোববার সকালে বলেন, এই ডাক্তার আমার মেয়ের ডাক্তারের রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছিল । সে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছিল। এখন কেন সে পালিয়ে যাবে। এর কারণ কি । সে যদি অপরাধী না হয় তাহলে সে পালানোর চেষ্টাই বা কেন করবে। আমাদের সন্দেহ হচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।