নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানা এলাকা হতে বিশেষ অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা মূলের ৪৪৯.২৫ লিটার বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এ পর্যন্ত মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, সন্ত্রাসী, এজাহারনামীয় আসামী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, প্রতারকচক্র, ধর্ষণকারী, পর্ণোগ্রাফি বিস্তারকারী, চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৫.১০ ঘটিকার সময় র্যাব-১, সিপিসি-১, উত্তরা ঢাকা গোপন সংবাদ ও বিশস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ডিএমপি ঢাকার মহাখালী এলাকা হতে কতিপয় ব্যাক্তি বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য নিয়ে পিকআপ ভ্যান যোগে গুলশানের দিকে আসছে। তাৎক্ষণিক আভিযানিক দলটি সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানাধীন গুলশান-২, রোড নং-১১২, বাড়ী নং-১৪ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছাইয়া টহল টিমের সহায়তায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করাকালীন ০৫.৪০ ঘটিকার ০১ টি হলুদ রংয়ের পিকআপ ভ্যানসহ আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ সামির (১৭), পিতা-মৃত বাদশা মিয়া, বর্তমান ঠিকানা মধ্য বাড্ডা কবরস্থান, আনিছের গ্যারেজ, থানা-বাড্ডা, ঢাকা’কে ৫৯৯ বোতল (৪৪৯.২৫ লিটার) বিদেশী মদ যার আনুমানিক মূল্য ৩৬,৫৪,০০০/- ( ছত্রিশ লক্ষ চুয়ান্ন হাজার টাকা) সহ গ্রেপ্তার করা হয়।
ধৃত আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ সামির (১৭) অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীর সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ক্রয় বিক্রয় করিয়া আসছে। তারা বিভিন্ন সময় সুকৌশলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মাদক দ্রব্য পরিবহন করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে থাকে।
আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু'কে ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানা এলাকা হতে বিশেষ অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা মূলের ৪৪৯.২৫ লিটার বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী’কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময় বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যাবের সৃষ্টিকাল থেকে এ পর্যন্ত মাদক ব্যবসায়ী, অপহরণকারী, সন্ত্রাসী, এজাহারনামীয় আসামী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, প্রতারকচক্র, ধর্ষণকারী, পর্ণোগ্রাফি বিস্তারকারী, চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে সাধারণ জনগণের মনে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০৫.১০ ঘটিকার সময় র্যাব-১, সিপিসি-১, উত্তরা ঢাকা গোপন সংবাদ ও বিশস্ত সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, ডিএমপি ঢাকার মহাখালী এলাকা হতে কতিপয় ব্যাক্তি বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য নিয়ে পিকআপ ভ্যান যোগে গুলশানের দিকে আসছে। তাৎক্ষণিক আভিযানিক দলটি সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানাধীন গুলশান-২, রোড নং-১১২, বাড়ী নং-১৪ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছাইয়া টহল টিমের সহায়তায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করাকালীন ০৫.৪০ ঘটিকার ০১ টি হলুদ রংয়ের পিকআপ ভ্যানসহ আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ সামির (১৭), পিতা-মৃত বাদশা মিয়া, বর্তমান ঠিকানা মধ্য বাড্ডা কবরস্থান, আনিছের গ্যারেজ, থানা-বাড্ডা, ঢাকা’কে ৫৯৯ বোতল (৪৪৯.২৫ লিটার) বিদেশী মদ যার আনুমানিক মূল্য ৩৬,৫৪,০০০/- ( ছত্রিশ লক্ষ চুয়ান্ন হাজার টাকা) সহ গ্রেপ্তার করা হয়।
ধৃত আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ সামির (১৭) অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামীর সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ক্রয় বিক্রয় করিয়া আসছে। তারা বিভিন্ন সময় সুকৌশলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ মাদক দ্রব্য পরিবহন করে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট সরবরাহ করে থাকে।
আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশু'কে ডিএমপি ঢাকার গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।