বগুড়ায় পেঁয়াজের ফলন ভালো হলেও দাম পাচ্ছেন না চাষিরা

আপলোড সময় : ২৫-০৪-২০২৬ ১২:৫৫:২৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৪-২০২৬ ১২:৫৫:২৮ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
মাঠ থেকে পেঁয়াজ তোলা শেষ। পেঁয়াজের ফলন ভালো হলেও চাষিরা এবার দাম পাচ্ছেন না। পাবনা-কুষ্টিয়ার যে পেঁয়াজগুলো সংরক্ষণ করা যাবে, তা ৩৫-৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর হালি পেঁয়াজের কেজি ২৫-৩০ টাকা।

পেঁয়াজচাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের বাজার তেঁতে উঠবে। কোরবানি ঈদের আগে পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা থাকলেও এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা। বর্তমানে হাট ও মোকামগুলোয় পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আসছে না। ফলে গত দুই দিনে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা। এ অবস্থা চলতে থাকলে অচিরেই দাম দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন পেঁয়াজ উৎপাদনকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, মাঠ থেকে পেঁয়াজ তোলার কদিন আগে পেঁয়াজসমৃদ্ধ কয়েকটি জেলা, বিশেষ করে পাবনা, ফরিদপুর, রংপুর ও নাটোর এলাকায় হালকা বৃষ্টিতে পেঁয়াজের কিছুটা ক্ষতি হয়। কৃষকের ভাষায়, এসব হালি পেঁয়াজ দাগি হওয়ায় মোকাম ও বাজারে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে সংরক্ষণ করা যাবে এমন পেঁয়াজের নাম হলো ‘মুড়িকাটা’। সেগুলো বাজারে আসছে না। মুড়িকাটা পেঁয়াজ শুকনো থাকায় ছয় মাস সংরক্ষণ করা যায়। কাজেই মোকামের ব্যবসায়ীরা বলছেন, হালি পেঁয়াজ শেষ হলেই আগামী ১০ দিনের মধ্যেই বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়বে এমনটাই জানিয়েছেন বগুড়ার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী পরিমল প্রসাদ পোদ্দার।

সূত্র জানায়, দেশে চলতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা ২৭-২৮ লাখ টন। চলতি মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। বিশেষ করে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় শুষ্ক মৌসুম থাকায় চাষিরা পেঁয়াজ ঘরে তুলতে পেরেছেন। দেশি পেঁয়াজের এখন ভরা মৌসুম হলেও হঠাৎ করেই আড়তে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে। তাই পাইকারিতে দাম বাড়ার পথে। ঢাকায় সব থেকে বেশি পেঁয়াজ যায় ফরিদপুর থেকে। সেখানে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। আড়তদারদের কথা, সামনে দাম আরো বাড়বে।

দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষে পাবনার সাঁথিয়া, ফরিদপুর, সুজানগর ও বেড়া; কুষ্টিয়ার মেহেরপুর, নাটোরের লালপুর, গুরুদাসপুর; রাজশাহীর দুর্গাপুর, পুঠিয়া, পবা, মোহনপুর, বাঘা, বাগমারা ও চারঘাট। এবার পাবনায় ৫৩ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে হালি (চারা) পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। সেখানে ৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬৪০ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]