প্র'যু'ক্তির যুগে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সন্ধ্যার ঐতিহ্য!

আপলোড সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ০৭:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ০৭:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন

মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং প্রতিনিধি।। 

এক সময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবহে মোড়া। বিদ্যুৎ না থাকায় সূর্য ডোবার পরই চারপাশে নেমে আসত ঘন অন্ধকার। সেই অন্ধকার ভেদ করে মানুষ তখন একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো এক অন্যরকম মিলনমেলা—কখনও ভাটিয়ালি গান, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী সুরে মুখর হয়ে উঠত গ্রামীণ পরিবেশ। আধ্যাত্মিক আবেগে অনেকের চোখ ভিজে উঠত অজান্তেই।

সেই আসর ছিল শুধু বিনোদনের জায়গা নয়; বরং ছিল সামাজিক ও মানসিক সংযোগের এক অনন্য মাধ্যম। দিনের ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান সবকিছুই যেন মিলিয়ে যেত একসাথে বসে গান শোনার ও গল্প করার আনন্দে।

কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে বদলে গেছে সেই চিত্র। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে এখন গ্রামবাংলার ঘর ঘর আলোয় ভরে উঠলেও মানুষের হৃদয়ের সেই উষ্ণতা অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। উঠোনের আড্ডার জায়গা দখল করেছে মোবাইল ফোন ও টেলিভিশনের পর্দা। 

পাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময়ও এখন সীমিত হয়ে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রামীণ সেই সন্ধ্যার আড্ডা মানুষকে শিখিয়েছে—সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজনের প্রয়োজন নেই, দরকার শুধু আন্তরিকতা ও একসাথে থাকার মানসিকতা। এই ঐতিহ্যই সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলত।
আজকের বাস্তবতায় পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হলেও, ছোট ছোট সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা ও মানবিক বন্ধনকে আবারও জাগিয়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]