গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
তীব্র গরমে মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুলও পড়েছে চরম বিপাকে। প্রচণ্ড রৌদ্রের খরতাপ সহ্য করতে না পেরে একটি কুকুরকে পুকুরে নেমে শীতলতা খুঁজতে দেখা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পাচখালী গ্রামে।
চারপাশে গাছপালা ঘেরা পরিবেশে পানির ভেতর দাঁড়িয়ে থেকে কুকুরটিকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে । প্রচণ্ড গরমে যখন মানুষই অতীষ্ট হয়ে উঠেছে তখন এই নীরব প্রাণীরাও যে সমানভাবে কষ্ট পাচ্ছে এমন চিত্রই যেন ফুটে উঠেছে এই দৃশ্যে।
গরমের তাপ সহ্য করতে না পারায় কুকুরটিকে প্রায় ৫ থেকে ১০মিনিটের মত পুকুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। বেশি মানুষের উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে কুকুরটি পুকুর থেকে উঠে নিজের মত কত করে চলে যায়।
স্থানীয় শিশির রঞ্জন হাওলাদার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মানুষ যেমন ছায়া ও পানির আশ্রয় নিচ্ছে, তেমনি প্রাণীরাও বিভিন্ন উপায়ে গরম থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে পথকুকুর ও অন্যান্য প্রাণীরা পানির অভাবে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে।এই সময় প্রাণীদের জন্য পানির ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সজল দাস বলেন গবাদি পশুকে বারবার পানি পান করাতে হবে।দিনে দুই থেকে তিনবার গোসল করাতে হবে এবং এই তীব্র তাপদাহে তাদেরকে ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে। তীব্র গরমে মানুষ ও প্রাণী—উভয়ের জন্যই সচেতনতা ও সহমর্মিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
তীব্র গরমে মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুলও পড়েছে চরম বিপাকে। প্রচণ্ড রৌদ্রের খরতাপ সহ্য করতে না পেরে একটি কুকুরকে পুকুরে নেমে শীতলতা খুঁজতে দেখা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পাচখালী গ্রামে।
চারপাশে গাছপালা ঘেরা পরিবেশে পানির ভেতর দাঁড়িয়ে থেকে কুকুরটিকে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে । প্রচণ্ড গরমে যখন মানুষই অতীষ্ট হয়ে উঠেছে তখন এই নীরব প্রাণীরাও যে সমানভাবে কষ্ট পাচ্ছে এমন চিত্রই যেন ফুটে উঠেছে এই দৃশ্যে।
গরমের তাপ সহ্য করতে না পারায় কুকুরটিকে প্রায় ৫ থেকে ১০মিনিটের মত পুকুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। বেশি মানুষের উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পেরে কুকুরটি পুকুর থেকে উঠে নিজের মত কত করে চলে যায়।
স্থানীয় শিশির রঞ্জন হাওলাদার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় মানুষ যেমন ছায়া ও পানির আশ্রয় নিচ্ছে, তেমনি প্রাণীরাও বিভিন্ন উপায়ে গরম থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে পথকুকুর ও অন্যান্য প্রাণীরা পানির অভাবে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে।এই সময় প্রাণীদের জন্য পানির ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সজল দাস বলেন গবাদি পশুকে বারবার পানি পান করাতে হবে।দিনে দুই থেকে তিনবার গোসল করাতে হবে এবং এই তীব্র তাপদাহে তাদেরকে ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখতে হবে। তীব্র গরমে মানুষ ও প্রাণী—উভয়ের জন্যই সচেতনতা ও সহমর্মিতা বাড়ানো প্রয়োজন।