নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর কলাবাগান থানার গ্রীন রোডের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তানিয়া নবী (২৯) নামে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে হোটেল রুপসার চতুর্থ তলার ৪১৮ নম্বর কক্ষের বাথরুম থেকে দরজা বন্ধ অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুল হক সুমন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ঘুমের ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন কোম্পানির ৮ থেকে ১০ পাতার ওষুধের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, তানিয়া নবী গত ১৯ এপ্রিল আইইএলটিএস পরীক্ষার উদ্দেশে হোটেলটিতে ওঠেন। স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
তানিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম নুর নবী এবং মায়ের নাম শামীমা বেগম। তিনি স্বামী সাগরের সঙ্গে কুমিল্লায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। এ ঘটনায় অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে হোটেল রুপসার চতুর্থ তলার ৪১৮ নম্বর কক্ষের বাথরুম থেকে দরজা বন্ধ অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুল হক সুমন জানান, ঘটনাস্থল থেকে ঘুমের ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন কোম্পানির ৮ থেকে ১০ পাতার ওষুধের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, তানিয়া নবী গত ১৯ এপ্রিল আইইএলটিএস পরীক্ষার উদ্দেশে হোটেলটিতে ওঠেন। স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
তানিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায়। তার বাবার নাম নুর নবী এবং মায়ের নাম শামীমা বেগম। তিনি স্বামী সাগরের সঙ্গে কুমিল্লায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। এ ঘটনায় অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।