নিজস্ব প্রতিবেদক
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও স্বাভাবিক করার উপায় খুঁজতে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হচ্ছে বুধবার। দুই দিনের এই বৈঠকের আয়োজন করেছে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ নেতৃত্বাধীন ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্য সরকার।
বৈঠকে ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক পরিকল্পনাবিদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের বেশি দেশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সুরক্ষায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মিশনে যোগ দিতে আগ্রহী।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৫০টি দেশ এই প্রস্তাবিত মিশনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।
সাম্প্রতিক এক অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সে প্রায় ৫০টি দেশ অংশ নেয়, যেখানে এই লন্ডন বৈঠকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সেই বৈঠকের পরই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের উদ্যোগে নতুন এই আন্তর্জাতিক আলোচনার সূচনা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, যা বৈশ্বিক কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের ভিডিও কনফারেন্সের ফলাফল হিসেবেই এই লন্ডন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি সমর্থনের জন্য কূটনৈতিক ঐকমত্যকে যৌথ পরিকল্পনায় রূপ দেওয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইরান-ইসরাইল সংঘাত ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এই রুট দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।
বৈঠকে ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক পরিকল্পনাবিদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের বেশি দেশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সুরক্ষায় যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক মিশনে যোগ দিতে আগ্রহী।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৫০টি দেশ এই প্রস্তাবিত মিশনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে।
সাম্প্রতিক এক অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সে প্রায় ৫০টি দেশ অংশ নেয়, যেখানে এই লন্ডন বৈঠকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সেই বৈঠকের পরই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের উদ্যোগে নতুন এই আন্তর্জাতিক আলোচনার সূচনা।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিত্রদের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন, যা বৈশ্বিক কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের ভিডিও কনফারেন্সের ফলাফল হিসেবেই এই লন্ডন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন, বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি সমর্থনের জন্য কূটনৈতিক ঐকমত্যকে যৌথ পরিকল্পনায় রূপ দেওয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইরান-ইসরাইল সংঘাত ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে এই রুট দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে।