ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প

আপলোড সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১১:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৪-২০২৬ ১১:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
যুদ্ধ সবসময়ই ব্যয়বহুল। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের খরচ তার চেয়েও বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আগ্রাসন শুরুর পর আমেরিকা প্রতিদিন ৮৯ কোটি থেকে ১০০ কোটি ডলার খরচ করেছে। ইসরাইল যুদ্ধের জন্য মোট এক হাজার ১২০ কোটি ডলার খরচ করেছে। এর মধ্যে শুধু প্রথম ২০ দিনেই খরচ করেছে ৬২০ কোটি ডলার।

যুদ্ধ-পরবর্তী সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা মেরামত করতেও বিপুল অর্থ খরচ হবে। সৌদি আরবের পুনর্গঠনের জন্য ছয় হাজার কোটি ডলারের বেশি অর্থ প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে শুধু তেল ও গ্যাস স্থাপনা চালু করতেই পাঁচ হাজার কোটি ডলার খরচ করতে হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানিবিষয়ক গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান রায়স্টাড।

তবে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর অবস্থায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির বিভিন্ন বেসামরিক ভবন ও জ্বালানি স্থাপনা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমিরাত আমেরিকার কাছে অর্থনৈতিক সাহায্যের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহে আমিরাতের সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রধান খালেদ মুহাম্মদ বালামা আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ থেকে মুদ্রা বিনিময়ের জন্য চেষ্টা করেছিলেন। ইরানের মিসাইল হামলায় দেশটির তেল ও গ্যাস স্থাপনার বড় ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে আমিরাতের ডলার রাজস্বে বিপুল ক্ষতি হয়েছে।

যদিও এ নিয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি, তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলাপ চালাচ্ছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। যুদ্ধের জন্য উপসাগরীয় দেশগুলো অর্থনৈতিক সহায়তার বিষয়ে আলাপ তুলছে। আমেরিকার যুদ্ধে দেশগুলোর অর্থ সরবরাহের বিষয়ে গত ৩০ মার্চ হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এ আলাপ উঠে এসেছে।
 

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]