নিজস্ব প্রতিবেদক
জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের তারাকান্দায় কলেজছাত্র শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুই নারী আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা, মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু, আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু, ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নাছ আলী এবং শামছুল হক। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই নারী হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে তিনি তারাকান্দা উপজেলার পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের সাজ্জাদ মিয়ার চায়ের দোকানে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে তার বাবা আব্দুর রউফ তারাকান্দা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের পাঁচদিন পর, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে একই গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৫ জুন ২০২১ সালের ৫ জুন মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ৬ জুন নিহতের ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা এবং তার সহযোগীদের আসামি করে তারাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ.এইচ.এম খালেকুজ্জামান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল জানান, ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন ও যুক্তিতর্ক-শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন। রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুই নারী আসামিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন মামলার বাদী সেলিম মিয়া ও তার পরিবার।
মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা, মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু, আব্দুল হেলিম, মোহাম্মদ আলী, ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু, ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নাছ আলী এবং শামছুল হক। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই নারী হলেন- মোছা. খালেদা আক্তার ও মোছা. রেহেনা খাতুন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত শাহীনুর আলম ওরফে ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২১ সালের ৩১ মে রাতে তিনি তারাকান্দা উপজেলার পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে পাশের সাজ্জাদ মিয়ার চায়ের দোকানে যান। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে তার বাবা আব্দুর রউফ তারাকান্দা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের পাঁচদিন পর, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে একই গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৫ জুন ২০২১ সালের ৫ জুন মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ৬ জুন নিহতের ভাই সেলিম মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম ওরফে রানা এবং তার সহযোগীদের আসামি করে তারাকান্দা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ.এইচ.এম খালেকুজ্জামান।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনোয়ার আজিজ টুটুল জানান, ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন ও যুক্তিতর্ক-শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন। রায়ে সাতজনকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুই নারী আসামিকে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন মামলার বাদী সেলিম মিয়া ও তার পরিবার।