নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝিনাইদহে এক কৃষকের প্রায় সাড়ে চার বিঘার আখক্ষেত ট্রাক্টরে চাষ দিয়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক নান্নু হোসেন কালীগঞ্জ থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কৃষক নান্নু হোসেন জানান, তিনি ২০২৩ সাল থেকে বৈধভাবে রেলওয়ের কাছ থেকে প্রায় দুই একর জমি লিজ নিয়ে নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছেন। সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সব নিয়ম মেনে তিনি জমিটি লিজ নেন এবং প্রতি বছর সরকারের নির্ধারিত লিজের অর্থ যথাযথভাবে পরিশোধ করেন। চলতি মৌসুমে তিনি ওই জমিতে আখের চাষ করেন এবং ক্ষেতটি ভালো অবস্থায় ছিল।
নান্নুর অভিযোগ, কালীগঞ্জ পৌরসভার শিবনগর গ্রামের তিন ব্যক্তি বেশ কিছুদিন ধরে তাকে জমিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বৈধভাবে লিজ নেওয়া জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার সকালে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে আখক্ষেতে প্রবেশ করে ট্রাক্টর দিয়ে প্রায় সাড়ে চার বিঘা জমিতে রোপণ করা আখ নষ্ট করে দেয়। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। নান্নু হোসেন বলেন, মোবারকগঞ্জ চিনিকল থেকে ঋণ ও ধারদেনা করে আখের চাষ করেছিলেন। পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেল্লাল হোসেন জানান, তিনি বর্তমানে বাইরে আছেন। তবে থানায় করা অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষক নান্নু হোসেন জানান, তিনি ২০২৩ সাল থেকে বৈধভাবে রেলওয়ের কাছ থেকে প্রায় দুই একর জমি লিজ নিয়ে নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছেন। সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সব নিয়ম মেনে তিনি জমিটি লিজ নেন এবং প্রতি বছর সরকারের নির্ধারিত লিজের অর্থ যথাযথভাবে পরিশোধ করেন। চলতি মৌসুমে তিনি ওই জমিতে আখের চাষ করেন এবং ক্ষেতটি ভালো অবস্থায় ছিল।
নান্নুর অভিযোগ, কালীগঞ্জ পৌরসভার শিবনগর গ্রামের তিন ব্যক্তি বেশ কিছুদিন ধরে তাকে জমিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বৈধভাবে লিজ নেওয়া জমি ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার সকালে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে আখক্ষেতে প্রবেশ করে ট্রাক্টর দিয়ে প্রায় সাড়ে চার বিঘা জমিতে রোপণ করা আখ নষ্ট করে দেয়। এতে তার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। নান্নু হোসেন বলেন, মোবারকগঞ্জ চিনিকল থেকে ঋণ ও ধারদেনা করে আখের চাষ করেছিলেন। পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেল্লাল হোসেন জানান, তিনি বর্তমানে বাইরে আছেন। তবে থানায় করা অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।