নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় রাজনীতি ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় টেটাসহ দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার এবং প্রতিপক্ষের ডুপ্লেক্স বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার বিকেলে উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপিপন্থি সালাম গ্রুপ ও রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবারের হাতাহাতির ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে মঙ্গলবার বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষ চলাকালে আওয়ামীপন্থি মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের লোকজন বিএনপিপন্থি সালাম মিয়ার বিল্ডিং ও বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাজমুল হাসান জানান, শমলা বেগম (৫৫) নামে এক নারী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্য আহতরা এখনো হাসপাতালে আসেননি।
চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির বলেন, পূর্ব শত্রুতার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংঘর্ষে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ওসি শহীদুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বিষয়টি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটেছে বলে আমরা জেনেছি। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার বিকেলে উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপিপন্থি সালাম গ্রুপ ও রাজনৈতিক ভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবারের হাতাহাতির ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে মঙ্গলবার বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষ চলাকালে আওয়ামীপন্থি মনোয়ার মেম্বার গ্রুপের লোকজন বিএনপিপন্থি সালাম মিয়ার বিল্ডিং ও বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাজমুল হাসান জানান, শমলা বেগম (৫৫) নামে এক নারী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্য আহতরা এখনো হাসপাতালে আসেননি।
চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির বলেন, পূর্ব শত্রুতার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংঘর্ষে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে এবং উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ওসি শহীদুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বিষয়টি পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘটেছে বলে আমরা জেনেছি। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।