নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে দেশের বাহিরে পাচার করা হয়েছে। আমরা সেই দুর্নীতি রোধ করতে চাই। নিজেদের অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের সব কাজকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই।
সোমবার দুপুরে বগুড়ার বাগবাড়ি শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, আমরা মা’দেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই । বর্তমানে নারী-পুরুষ মিলে একসাথে আয় না করলে সাবলম্বী হওয়া যায় না। আজ আমরা ৯১১ জন মায়েদেরকে কার্ড দিলাম। এই কাঠ শুধু মায়েরাই পাবে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরো ২৩ টি উপজেলায় এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে চার কোটি মায়েদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে দেশের বাহিরে পাচার করেছে। আমরা সেই দুর্নীতি রোধ করতে চাই। নিজেদের অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের সব কাজকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই।
সকাল থেকেই জিয়াউর রহমানের বাগবাড়ী এলাকায় মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় নারী-পুরুষ, শিশুদের অভিভাবক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
এরপর তিনি শহীদ জিয়ার বাড়ির সামনে চৌকির ঘাট খাল খনন করেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে এই খাল আমার পিতা শহীদ জিয়াউর রহমান খনন করেছিল, আমরা আবার এই খালটা পুনরায় খনন করছি। দুই পাশে গাছ লাগানো হবে, খালি মাছ চাষ করা হবে, মা ও বোনেরা খালের পাশে শাক-সবজির আবাদ করতে পারবেন যাতে দারিদ্রতা ঘোচে। এতে কৃষকের উপকার হবে, বন্যার প্রকোপ থেকে আমরা মুক্তি পাব, শুষ্ক মৌসুমে পানির সমস্যা মিটবে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করতে চাই।
সোমবার দুপুরে বগুড়ার বাগবাড়ি শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
তিনি বলেন, আমরা মা’দেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই । বর্তমানে নারী-পুরুষ মিলে একসাথে আয় না করলে সাবলম্বী হওয়া যায় না। আজ আমরা ৯১১ জন মায়েদেরকে কার্ড দিলাম। এই কাঠ শুধু মায়েরাই পাবে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরো ২৩ টি উপজেলায় এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে চার কোটি মায়েদের কাছে এই কার্ড পৌঁছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে দেশের বাহিরে পাচার করেছে। আমরা সেই দুর্নীতি রোধ করতে চাই। নিজেদের অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের সব কাজকে এগিয়ে নিতে চাই। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই।
সকাল থেকেই জিয়াউর রহমানের বাগবাড়ী এলাকায় মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় নারী-পুরুষ, শিশুদের অভিভাবক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
এরপর তিনি শহীদ জিয়ার বাড়ির সামনে চৌকির ঘাট খাল খনন করেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে এই খাল আমার পিতা শহীদ জিয়াউর রহমান খনন করেছিল, আমরা আবার এই খালটা পুনরায় খনন করছি। দুই পাশে গাছ লাগানো হবে, খালি মাছ চাষ করা হবে, মা ও বোনেরা খালের পাশে শাক-সবজির আবাদ করতে পারবেন যাতে দারিদ্রতা ঘোচে। এতে কৃষকের উপকার হবে, বন্যার প্রকোপ থেকে আমরা মুক্তি পাব, শুষ্ক মৌসুমে পানির সমস্যা মিটবে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করতে চাই।