নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান শাহীন এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) সাইফুল ইসলাম বিপ্লব, এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন ও বিএনপি নেতা খায়রুল আলম।
অভিযোগে মাসুদ হাসান শাহীন জানান, ৫ আগস্টের পর আমি ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় অবস্থিত এসরোটেক্স গ্রুপ গার্মেন্টসের ওয়েস্টিজ মালামাল ক্রয় করে ব্যবসা করে আসছি। লাভের টাকা বিএনপি নেতাদের মাঝে বন্টন সহ এলাকার মসজিদ মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, অসহায় গরীব, বৃদ্ধদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে দান সহযোগিতা করে আসছি। কিন্তু থানা বিএনপির বহিষ্কৃত সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিপ্লবের নেতৃত্বে সরাজুদ্দিন, খায়রুল আমার কাছে চাঁদাদাবি করে আসছিল।
তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রলি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিপ্লবের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিশোঠা নিয়ে আমার কাছে এসে পাঁচলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি ও আমার সঙ্গীয় লোকজন চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমাদের ব্যবসা বন্ধে হুমকি প্রদান করে এবং গার্মেন্টন্সের সামনে যেতে নিষেধ করে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাইফুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমি এলাকায় থাকি না। গেলেও ৪-৫ ঘণ্টা থেকে নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে চলে আসি।
অভিযুক্তরা হলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) সাইফুল ইসলাম বিপ্লব, এনায়েতনগর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন ও বিএনপি নেতা খায়রুল আলম।
অভিযোগে মাসুদ হাসান শাহীন জানান, ৫ আগস্টের পর আমি ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় অবস্থিত এসরোটেক্স গ্রুপ গার্মেন্টসের ওয়েস্টিজ মালামাল ক্রয় করে ব্যবসা করে আসছি। লাভের টাকা বিএনপি নেতাদের মাঝে বন্টন সহ এলাকার মসজিদ মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল, অসহায় গরীব, বৃদ্ধদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে দান সহযোগিতা করে আসছি। কিন্তু থানা বিএনপির বহিষ্কৃত সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিপ্লবের নেতৃত্বে সরাজুদ্দিন, খায়রুল আমার কাছে চাঁদাদাবি করে আসছিল।
তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রলি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিপ্লবের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিশোঠা নিয়ে আমার কাছে এসে পাঁচলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি ও আমার সঙ্গীয় লোকজন চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমাদের ব্যবসা বন্ধে হুমকি প্রদান করে এবং গার্মেন্টন্সের সামনে যেতে নিষেধ করে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাইফুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমি এলাকায় থাকি না। গেলেও ৪-৫ ঘণ্টা থেকে নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে চলে আসি।