শ্রমিক সংকটে ধর্মপাশায় পাকা ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

আপলোড সময় : ২০-০৪-২০২৬ ০৪:২৪:৫৯ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২০-০৪-২০২৬ ০৪:২৪:৫৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
শ্রমিক সংকটে ধর্মপাশা উপজেলায় পাকা বোরো ধান কাটতে পারছেন না কৃষকরা। মাঠে ধান পেকে ঝরে পড়ার অবস্থা হলেও শ্রমিক না পাওয়ায় ধান কাটতে পারছেনা কৃষক।

শ্রমিক সংকটে ঝড়-বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৪৫টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে পাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছ। বৃষ্টির কারণে হাওরের পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় হারভেস্টার দিয়েও ধান কাটার সুযোগ মিলছে না। এতে শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বর্তমানে ধান কাটার শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় পৌঁছেছে। অথচ বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। ফলে ধান কাটার খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ‘আদি’ পদ্ধতিতে জমি ছেড়ে দিচ্ছেন, যেখানে শ্রমিকরা ফসলের অর্ধেক নিয়ে যান।

এদিকে আবার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ধান মাড়াই ও পাওয়ায় ট্রলি দিয়ে হাওড় থেকে কাটা ধান আনতে আগের চাইতে এখন বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে।

পাইকুরাটি ইউনিয়নের কৃষক ঝনি মিয়া বলেন, ধান পাকলেও শ্রমিক নেই। যারা আছে তারা বেশি মজুরি চায়। এই দামে ধান কেটে কোনো লাভ তো নেই, বরং লোকসান হবে।

সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের কৃষক মো. রেহান মিয়া বলেন, সার, বীজ ও সেচ সবকিছুর খরচ বেড়েছে। এখন ধান কাটার সময় এসে শ্রমিক সংকট। এ অবস্থায় সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে কৃষকদের বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]