নিজস্ব প্রতিবেদক
ওমান সাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক জাহাজকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান—এমন তথ্য জানিয়েছে ইরানি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ। সোমবার (২০ এপ্রিল) এই দাবি সামনে আসে।
এর আগে ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী, যা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এই ঘটনার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তবে হামলার পরও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওই জাহাজে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ অপারেশনাল ইউনিট খাতাম আল-আনবিয়া জাহাজ জব্দের ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।
তিন দশকের সংঘাতের পর টানা ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘ সময়ের বৈঠকে কোনো চুক্তি হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আলোচনার জন্য আবারও প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে ইসলামাবাদে। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে না চায়, তবে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও জাহাজ জব্দের ঘটনার পর আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় ইসলামাবাদে নতুন দফা আলোচনায় ইরানের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবে না।
এর আগে ইরানের পতাকাবাহী একটি জাহাজ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী, যা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এই ঘটনার পরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তবে হামলার পরও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওই জাহাজে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি।
ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ অপারেশনাল ইউনিট খাতাম আল-আনবিয়া জাহাজ জব্দের ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।
তিন দশকের সংঘাতের পর টানা ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও দীর্ঘ সময়ের বৈঠকে কোনো চুক্তি হয়নি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আলোচনার জন্য আবারও প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে ইসলামাবাদে। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে না চায়, তবে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও জাহাজ জব্দের ঘটনার পর আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় ইসলামাবাদে নতুন দফা আলোচনায় ইরানের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবে না।