তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে লাইন কমেনি

আপলোড সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ১২:০৫:৫৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৯-০৪-২০২৬ ১২:০৫:৫৩ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নিতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে রোববার ভোর থেকে পাম্পের সামনে জ্বালানি তেলের জন্য অপেক্ষা করছেন শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভোটকার চালকরা।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার প্রভাবেই সরকার নতুন করে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করেছে। শনিবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হওয়া এই দামে ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা এবং অকটেন ১৪০ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্রেতা বলছেন, জ্বালানরি তেলের দাম আর একটু কম বাড়ালে ভালো হতো। তেলের দাম বাড়ায়, জনজীবনে এর প্রভাব অলরেডি পড়ছে। বেড়ে যাবে যাচ্ছে জিনিসপত্রের দাম।

রাজধানীর আসাদ গেট ও তেজগাঁও, পরীবাগের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতোই রেশনিং পদ্ধতিতে তেল দেওয়া হচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে তেল কিনছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকরা। তাদের অভিযোগ, রাত থেকে অপেক্ষা করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চাহিদার তেল।

তেলের দাম বাড়লেও গ্রাহক পর্যায়ে কমেনি স্বস্তি, অনেক পাম্পেই নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। এতে ক্ষোভ বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে।

বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি। সংগঠনটির সদস্য সচিব মীর আহসান উদ্দিন পারভেজ জানান, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারেও দাম সমন্বয় করায় সরকারকে তারা সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট বা মজুদ করার প্রবণতা কমবে। পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল্য নির্ধারণ করলে সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ন্যায্যভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।

সর্বশেষ, গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]