নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ছাগলখাইয়া পাড়া শ্মশান থেকে কুঁড়িয়ে পাওয়া নবজাতক শিশুটি এখন অন্য কোনো মায়ের কোলে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের হস্তক্ষেপে শিশুটির চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়।
উল্লেখ্য, ১৭ এপ্রিল উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছাগল খাইয়া নামক গ্রামের শ্মশান থেকে এক রক্তাক্ত নবজাতককে কুঁড়িয়ে পান স্থানীয় সন্ধ্যা রানী দে ও প্রমোদ কুমার দে দম্পতি। পরবর্তীতে তারা নবজাতক কন্যাটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নিজেদের হেফাজতে রাখেন এবং স্ত্রীর সম্মতিতে লালন-পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হলে অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য থুইচি মং মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কে বা কারা মেয়েশিশুটিকে শ্মশানে রেখে গেছে তা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। তবে রাজস্থলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার জানান, শিশুটিকে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রোববার শিশুটির কোনো ওয়ারিশ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য উপজেলায় মাইকিং করা হবে। কোনো ওয়ারিশ পাওয়া না গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আগ্রহী দম্পতি বা ব্যক্তিকে আইনগত প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৭ এপ্রিল উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছাগল খাইয়া নামক গ্রামের শ্মশান থেকে এক রক্তাক্ত নবজাতককে কুঁড়িয়ে পান স্থানীয় সন্ধ্যা রানী দে ও প্রমোদ কুমার দে দম্পতি। পরবর্তীতে তারা নবজাতক কন্যাটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নিজেদের হেফাজতে রাখেন এবং স্ত্রীর সম্মতিতে লালন-পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে বিষয়টি জানাজানি হলে অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য থুইচি মং মারমা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কে বা কারা মেয়েশিশুটিকে শ্মশানে রেখে গেছে তা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। তবে রাজস্থলী উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার জানান, শিশুটিকে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রোববার শিশুটির কোনো ওয়ারিশ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য উপজেলায় মাইকিং করা হবে। কোনো ওয়ারিশ পাওয়া না গেলে আবেদনের প্রেক্ষিতে আগ্রহী দম্পতি বা ব্যক্তিকে আইনগত প্রক্রিয়ায় শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।