নিজস্ব প্রতিবেদক
নীলফামারীর সৈয়দপুরে কাভার্ড ভ্যানে ‘গোপন ফিলিং স্টেশন’ করে জ্বালানি তেল পাচারের সময় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। এসময় অবৈধভাবে মজুদকৃত প্রায় ৮০ হাজার লিটার তেল জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে আটককৃতদের অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। শুক্রবার রাতে সৈয়দপুর শহরের বাইপাস সড়কের মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ট্যাংকলড়ি, একটি অ্যাম্বুলেন্স, একটি কাভার্ড ভ্যান, একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। ড্রাম এবং ছারকিনে করে এসব বাহনের ভেতরে গোপনে জ্বালানি তেল বিভিন্ন জায়গায় দেয়া হতো বলে জানিয়েছে প্রশাসন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন। এতে সহায়তা করেন সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ক্যাভার্ড ভ্যানে বিশেষ ভাবে তেলের গোল ট্যাংকার বানিয়ে জ্বালানি তেল পাচার করে আসছে। শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি কাভার্ডভ্যান আটক করা হয়। এসময়ে গাড়ির ভিতর থেকে জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। সেখানে তেল পাচারের সাথে জড়িত সাতজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের একজনকে দুই লাখ টাকা ও বাকি ছয়জনের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো সাব্বির হোসেন বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচারের দায়ে ৭ জনকে আটক করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুটি গাড়ি জ্বালানি তেলসহ জব্দ করা হয়েছে। সেখানে আনুমানিক আশি হাজার লিটার জালানি তেল আছে। এগুলো পার্শ্ববর্তী কোন পাম্পে বিক্রি করে তা জনসাধারণের মাঝে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং এসব অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।
ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ট্যাংকলড়ি, একটি অ্যাম্বুলেন্স, একটি কাভার্ড ভ্যান, একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। ড্রাম এবং ছারকিনে করে এসব বাহনের ভেতরে গোপনে জ্বালানি তেল বিভিন্ন জায়গায় দেয়া হতো বলে জানিয়েছে প্রশাসন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাব্বির হোসেন। এতে সহায়তা করেন সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ক্যাভার্ড ভ্যানে বিশেষ ভাবে তেলের গোল ট্যাংকার বানিয়ে জ্বালানি তেল পাচার করে আসছে। শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মেসার্স রোকেয়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি কাভার্ডভ্যান আটক করা হয়। এসময়ে গাড়ির ভিতর থেকে জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। সেখানে তেল পাচারের সাথে জড়িত সাতজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের একজনকে দুই লাখ টাকা ও বাকি ছয়জনের প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো সাব্বির হোসেন বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পাচারের দায়ে ৭ জনকে আটক করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দুটি গাড়ি জ্বালানি তেলসহ জব্দ করা হয়েছে। সেখানে আনুমানিক আশি হাজার লিটার জালানি তেল আছে। এগুলো পার্শ্ববর্তী কোন পাম্পে বিক্রি করে তা জনসাধারণের মাঝে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং এসব অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।
এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।