নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে অবৈধভাবে মজুত করা চার হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করে কৃষকের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে দিয়েছে প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকালে এ ডিজেল কৃষকের মাঝে বিক্রি করা হয়। এর আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে পৌর এলাকার টিপুর মোড়ে অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কোনো লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই খোলা বাজারে খুচরা ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করে আসছিলেন টিপুর মোড় এলাকার লোপা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী লোকমান হাকিম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠলে তিনি বিক্রি বন্ধ করে মজুত শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লোপা এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সুমাইয়া ফেরদৌস। এসময় সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে চার হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম পালিয়ে যান। ফলে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা তেল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সরকারি দামে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে যারা অবৈধভাবে তেল মজুত করছেন, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার সকালে এ ডিজেল কৃষকের মাঝে বিক্রি করা হয়। এর আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে পৌর এলাকার টিপুর মোড়ে অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্দ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কোনো লাইসেন্স বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই খোলা বাজারে খুচরা ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি করে আসছিলেন টিপুর মোড় এলাকার লোপা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী লোকমান হাকিম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠলে তিনি বিক্রি বন্ধ করে মজুত শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে লোপা এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সুমাইয়া ফেরদৌস। এসময় সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে চার হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে ব্যবসায়ী লোকমান হাকিম পালিয়ে যান। ফলে ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা তেল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সরকারি দামে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে যারা অবৈধভাবে তেল মজুত করছেন, তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।