নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুরে মাদক মামলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পূর্ব বিরোধ এবং স্ত্রীর সাথে কথা-কাটাকাটি জেরে খুনের শিকার হন মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা রাকিব। রাকিব হত্যা মামলার আসামি মমিন এবং তার স্ত্রী সুইটিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় র্যাব-১৩ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান র্যাব ১৩-এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মহিদুল ইসলাম।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে সোমবার বিকালে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের শাহাপাড়া গ্রামে জনৈক রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মমিন ও তার স্ত্রী বিউটি বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মমিনের বাবার নাম মৃত মুসলিম উদ্দিন। বাড়ি রংপুর নগরীর রবাটসনগঞ্জের তাতিপাড়ায়।
র্যাব জানায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে মহানগর যুবদল নেতা ও রাকিবের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী মমিন ও তার স্ত্রী বিউটি বেগমের বাগবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে মাদক ব্যাবসায়ী মমিন তার স্ত্রীর সহযোগিতায় অন্য সহযোগীদের নিয়ে যুবদল নেতা রাকিবকে বাসা থেকে ডেকে এনে প্রকাশ্য দিবালোকে নগরীর কামাল কাছনা মাসুয়া পাড়া বাজারে কুপিয়ে হত্যা করে বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়।
এ ঘটনায় নিহত রাকিবের বাবা আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই খুনিরা পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন জায়গার আত্মগোপন করে থাকে। তবে র্যাবের জালে অবশেষে তারা ধরা পড়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মমিন ও বিউটি বেগম হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টায় র্যাব-১৩ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান র্যাব ১৩-এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মহিদুল ইসলাম।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে সোমবার বিকালে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের শাহাপাড়া গ্রামে জনৈক রুবেলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি মমিন ও তার স্ত্রী বিউটি বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। মমিনের বাবার নাম মৃত মুসলিম উদ্দিন। বাড়ি রংপুর নগরীর রবাটসনগঞ্জের তাতিপাড়ায়।
র্যাব জানায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকালে মহানগর যুবদল নেতা ও রাকিবের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী মমিন ও তার স্ত্রী বিউটি বেগমের বাগবিতণ্ডা হয়। এরই জেরে মাদক ব্যাবসায়ী মমিন তার স্ত্রীর সহযোগিতায় অন্য সহযোগীদের নিয়ে যুবদল নেতা রাকিবকে বাসা থেকে ডেকে এনে প্রকাশ্য দিবালোকে নগরীর কামাল কাছনা মাসুয়া পাড়া বাজারে কুপিয়ে হত্যা করে বীরদর্পে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়।
এ ঘটনায় নিহত রাকিবের বাবা আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই খুনিরা পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন জায়গার আত্মগোপন করে থাকে। তবে র্যাবের জালে অবশেষে তারা ধরা পড়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি মমিন ও বিউটি বেগম হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।