রাহাদ সুমন,
বিশেষ প্রতিনিধি;
ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় ৮ ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সাধারণ ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ নানা ভাবে তাদের প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। কেউ কেউ এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে শুভেচ্ছা পোষ্টার ও ব্যানার সাঁটিয়ে প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর নামের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এসব সম্ভাব্য প্রার্থীদের নামের মধ্যে জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক ও ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম মিঠুর নাম আলোচিত হচ্ছে। তিনি ওই ইউনিয়নের ইলুহার গ্রামের মোঃ মিজানুর রহমান ও গৃহিনী
মমতাজ পারভীনের বড় ছেলে। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান
মিঠু এলাকায় একজন শিক্ষানুরাগী, সজ্জন,পরপোকারী, মিষ্টভাষী, সদালাপি ও দানশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত।
তারা পারিবারিকভাবেও বিএনপির রাজনীতির সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তার বাবা মোঃ মিজানুর রহমান ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তিনি একটি সুপরিচিত রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য।
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এলাকায় দলীয় প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিয়ে অমায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের একজন সুপরিচিত জিয়া অন্তঃপ্রাণ রাজনৈতিক নেতা মোঃ তারিকুল ইসলাম মিঠু দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।\\
ছাত্রজীবন থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলার সূচনা। ২০০০-০১ সালের দিকে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় বিএনপির রাজনীতির প্রতি তার গভীর অনুরাগ জন্ম নেয়। সে সময় স্থানীয় কয়েকজন তরুণকে সঙ্গে নিয়ে তৎকালীন বানারীপাড়া-স্বরূপকাঠী আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সৈয়দ শহীদুল হক জামালের ঢাকার মগবাজারস্থ বাসভবনে যাওয়ার সুযোগ হয়। সেখানে কয়েকদিন অবস্থান ও তার আন্তরিকতায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির আদর্শের প্রতি তার ভালোবাসা আরও দৃঢ় ও সুগভীর হয়। পরবর্তীতে তিনি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী জিয়া সৈনিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়ে ঢাকার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। এ পদে তিনি ২০২২ সালের পর্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ২০২২ সালের ৪ আগষ্ট জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ প্রচার বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
২০২৩ সালের ২৯ এপ্রিল ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি তার সাংগঠনিক দক্ষতা, মেধা ও প্রজ্ঞায় ২০২৪ সালের ২৭ মার্চ ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির পুর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসীন হন।
২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী তিনি জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক পদ অলঙ্কৃত করেন।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা -১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচনী এলাকায় জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক উপ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে মোঃ তারিকুল ইসলাম মিঠু বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় উদীয়মান তরুণ নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আস্থা ও ভালোবাসার সু-সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। জিয়া অন্তঃপ্রাণ মোঃ তারিকুল ইসলাম মিঠু রাজধানী ও এলাকায় আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের প্রায় প্রতিটা প্রোগ্রামের সামনের সারিতে থেকে অংশগ্রহণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে উদীয়মান তরুণ এ বিএনপি নেতা মোঃ তারিকুল ইসলাম মিঠু বলেন, দল ও আপামর জনতার অকুন্ঠ সমর্থন নিয়ে ইলুহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করা
পক্ষপাতহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বিচার প্রতিষ্ঠা(পক্ষ দেখে নয়, সত্য দেখে বিচার)
মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ,
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ,
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে আলোকিত ইউনিয়নে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ্।