নিজস্ব প্রতিবেদক
রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ হরমুজ প্রণালীকে ইরানের একটি কৌশলগত “পারমাণবিক অস্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। খবর আনাদোলুর।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কীভাবে কার্যকর হবে তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত—ইরানের হাতে একটি শক্তিশালী কৌশলগত উপাদান রয়েছে, যার নাম হরমুজ প্রণালী। এর সম্ভাবনা অফুরন্ত।”
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি কোনো বাস্তব পারমাণবিক অস্ত্র নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতে একটি রূপক মন্তব্য। এটিকে “পারমাণবিক অস্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করা মূলত ইরানের কৌশলগত প্রভাব এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরার একটি রাজনৈতিক ভাষা, বাস্তব কোনো পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নয়।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। ইরান এই প্রণালীর ওপর প্রভাব বিস্তার করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন এবং জানান, তেহরান আলোচনার জন্য একটি ১০-দফা প্রস্তাব দিয়েছে।
এই ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে চাপ দিচ্ছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং পারস্পরিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে মধ্যপাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরে।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কীভাবে কার্যকর হবে তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত—ইরানের হাতে একটি শক্তিশালী কৌশলগত উপাদান রয়েছে, যার নাম হরমুজ প্রণালী। এর সম্ভাবনা অফুরন্ত।”
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি কোনো বাস্তব পারমাণবিক অস্ত্র নয়, বরং ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতে একটি রূপক মন্তব্য। এটিকে “পারমাণবিক অস্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করা মূলত ইরানের কৌশলগত প্রভাব এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরার একটি রাজনৈতিক ভাষা, বাস্তব কোনো পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নয়।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। ইরান এই প্রণালীর ওপর প্রভাব বিস্তার করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন এবং জানান, তেহরান আলোচনার জন্য একটি ১০-দফা প্রস্তাব দিয়েছে।
এই ঘোষণা এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে চাপ দিচ্ছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় এবং পারস্পরিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে মধ্যপাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরে।