নিজস্ব প্রতিবেদক
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এ ঘোষণা দেন তিনি।
জাল ভোট, ভোট কারচুপি, বিভিন্ন অনিয়ম এবং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার প্রতিবাদে আজ দুপুরে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান তার ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে এ ঘোষণা দেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর আটটি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।
জাল ভোট, ভোট কারচুপি, বিভিন্ন অনিয়ম এবং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার প্রতিবাদে আজ দুপুরে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান তার ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে এ ঘোষণা দেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পাঁচজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ছয়জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় পুরো এলাকা ঢেকে রাখা হয়েছে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর আটটি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।