নিজস্ব প্রতিবেদক
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার কুকিছড়া এলাকায় ভোররাতে সেনাবাহিনীর বিশেষ এক অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্র জনায়, বুধবার (৮ মার্চ) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় ইউপিডিএফ (মূল) দলের ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল কুকিছড়াপাড়ার একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এ তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্দুকছড়ি জোনের নেতৃত্বে মহালছড়ি ও মাটিরাঙা জোনের সমন্বয়ে গঠিত সেনাবাহিনীর একটি দল এলাকায় ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অভিযান শুরু করে।
অভিযানের একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ইউপিডিএফের পোস্ট পরিচালক তনিমং মারমার বাড়ি ঘিরে ফেললে সেখানে থাকা দুই সদস্য পালানোর চেষ্টা করে। তারা দ্রুত নিকটবর্তী ছড়ায় ঝাঁপ দিয়ে অন্ধকার ও দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের দিকে সরে যায়। সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া করলেও ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় পিস্তল, একটি পাইপগান, ছয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সেনাবাহিনী সূত্র জনায়, বুধবার (৮ মার্চ) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় ইউপিডিএফ (মূল) দলের ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল কুকিছড়াপাড়ার একটি বাড়িতে অবস্থান করছে। এ তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্দুকছড়ি জোনের নেতৃত্বে মহালছড়ি ও মাটিরাঙা জোনের সমন্বয়ে গঠিত সেনাবাহিনীর একটি দল এলাকায় ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ’ অভিযান শুরু করে।
অভিযানের একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ইউপিডিএফের পোস্ট পরিচালক তনিমং মারমার বাড়ি ঘিরে ফেললে সেখানে থাকা দুই সদস্য পালানোর চেষ্টা করে। তারা দ্রুত নিকটবর্তী ছড়ায় ঝাঁপ দিয়ে অন্ধকার ও দুর্গম পাহাড়ি পরিবেশের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের দিকে সরে যায়। সেনাবাহিনী তাদের ধাওয়া করলেও ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় পিস্তল, একটি পাইপগান, ছয় রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।